সাধারণত বছরের এই সময়টিতে, পশ্চিমা বাজারের ক্রেতারা পোশাক রফতানিকারকদের সঙ্গে পরবর্তী মৌসুমের আলোচনার জন্য চীনে ভ্রমণ করেন। কিন্তু এবছর নভেল করোনা ভাইরাসের কারণে অধিকাংশ ক্রেতাকে চীন সফর বাতিল করতে দেখা গেছে। চীনের পরিবর্তে পশ্চিমা ক্রেতারা অন্যসব দেশের রফতানিকারকদের সঙ্গে আলোচনা করতে শুরু করেছে, যার মধ্যে রয়েছে দক্ষিণ এশিয়ার বৃহত্তম অর্থনীতি ভারত।বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড সূত্রে এ তথ্য জানা যায়।
চীনে ভাইরাসের কারণে চলতি বছর তৈরি টেক্সটাইল পণ্য, পোশাক ও বস্ত্র রফতানি অন্তত ২০-৩০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানো সম্ভব বলে ধারণা করছেন কনফেডারেশন অব ইন্ডিয়ান টেক্সটাইল ইন্ডাস্ট্রির চেয়ারম্যান টি রাজকুমার।
এদিকে তৈরি পণ্য ও পোশাক খাতে মার্চেন্ডাইজ এক্সপোর্টস ফ্রম ইন্ডিয়া স্কিম (এমইআইএস) যে ৪ শতাংশ প্রণোদনা দিয়েছিল, তা সম্প্রতি প্রত্যাহার করা হয়েছে।
ভারতীয় ম্যানুফ্যাকচারারসরা চীন থেকে যে আনুষঙ্গিক পণ্য ক্রয় করত, তা থেমে আছে। চীনের নববর্ষের পর এখনো সরবরাহ শুরু হয়নি এবং সবগুলো ইউনিট বন্ধ আছে।
এ বিষয়ে তিরুপুর এক্সপোর্টারস অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক টিআর বিজয়াকুমার বলেন, এ পরিস্থিতি প্রকৃতপক্ষে গ্রাহকদের কাছে আমাদের সরবরাহে প্রভাব ফেলবে। এখন আমাদের স্থানীয় উৎসগুলোর সহায়তা নিয়ে কাজ চালিয়ে যেতে হবে। কিন্তু তাত্ক্ষণিকভাবে পণ্য তৈরি ও গুণগত মান রক্ষা করা আমাদের পক্ষে কষ্টকর হয়ে পড়ছে।
এর আগে ২০০৩ সালে চীনে সার্স ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের সময় পোশাক শিল্পে এতটা উল্লেখযোগ্য ক্ষতি হয়নি বলে মনে করছেন ভারতের রফতানিকারকেরা। কিন্তু এবার পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণে না এলে বড় ক্ষতির মুখে পড়তে হবে বলে মনে করছেন তারা।
আনন্দবাজার/তাঅ









