করোনা পরবর্তী অর্থনীতিতে দেশি বিদেশী বিনিয়োগ আকর্ষণে শিগগির নতুন প্যাকেজ ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছে, বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ বিডা। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী বিনিয়োগের বাধা চিহ্নিত করে তা সমাধানে সমন্বিতভাবে কাজ করা হচ্ছে বলেও জানিয়েছে বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান মো. সিরাজুল ইসলাম।
করোনা পরবর্তী অর্থনীতি গতিশীল করতে বিনিয়োগের প্রতিবন্ধকতা দুর করে অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলো দ্রুত বাস্তবায়নের তাগিদ দিয়েছেন ব্যবসায়ী ও বিনিয়োগকারীরা।জাতিসংঘের বাণিজ্য ও উন্নয়ন সংস্থা আঙ্কটাডের পূর্বাভাস বলছে, করোনা মহামারীর কারণে এ বছর বিশ্বব্যাপী বিনিয়োগ কমে যেতে পারে ৪০ শতাংশ। তারপরও করোনা-পরবর্তী বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণে বড় প্রস্তুতি ও প্রতিযোগিতায় থেমে নেই প্রতিবেশি ভারত, ভিয়েতনাম ও ইন্দোনেশিয়ার মতো প্রতিযোগী দেশগুলো। সেক্ষেত্রে বড় চ্যালেঞ্জের মুখে বাংলাদেশ।
বিদেশী বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং দেশে বিনিয়োগের বাধা দুর করতে এক মাস আগে ব্যবসায়ি, বাস্তবায়নকারী সংস্থা বেজা, বিডাসহ বিভিন্ন স্টেকহোল্ডারের সঙ্গে বিশেষ বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী।
যেখানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও নির্দেশনা দেন বিনিয়োগের বাধা কাটিয়ে উঠতে ওয়ান স্টপ সার্ভিস, দক্ষ লোকবল,করোনাকালে বিশেষ ইনসেনটিভ প্যাকেজসহ ৬টি চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় জোরালো প্রস্তুতি নেয়ার। বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলাম বলেছেন, বিনিয়োগের গতি বাড়াতে শিগগির প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী, ঘোষণা আসছে বিশেষ প্যাকেজের।
বেজার হিসেবে অর্থনৈতিক অঞ্চলে এখন পর্যন্ত বিনিয়োগ প্রস্তাব এসেছে প্রায় ২২ বিলিয়ন ডলার। যেখানে বেসরকারি খাতের বিনিয়োগ প্রস্তাব ৩ বিলিয়ন ডলারের কিছু বেশি। তবে গত ১ বছর ধরে জমির ইজারা মূল্যের ওপর ১৫% ভ্যাট জারি করায় অর্থনৈতিক অঞ্চলে বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান বাধাগ্রস্ত হবে বলে মনে করেন ব্যবসায়ী নেতারা। যা সমাধানের অপেক্ষায় বিনিয়োগকারীরা।
বিদেশী বিনিয়োগ টানতে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ে বৈঠকের পর, প্রতিযোগী দেশের সাথে তাল মিলিয়ে নীতি কাঠামো বাস্তবায়ন এবং বিনিয়োগ পরিবেশের উন্নয়নে সরকার নানামুখী উদ্যোগ নিচ্ছে বলে জানিয়েছে শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। দেশে বিনিয়োগ আকর্ষণের অন্যতম কেন্দ্রবিন্দু বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল। যার বাস্তবায়ন হলে বছরে ৪০ বিলিয়ন ডলার রপ্তানি আয়ের স্বপ্ন দেখছে বাংলাদেশ।
আনন্দবাজার/শহক








