বাজারে সবজির পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকলেও দাম কমছিল না । নানা অজুহাতে ব্যবসায়ীরা বাড়িয়ে দিচ্ছিল সবজির দাম । এবার ব্যতিক্রম দেখা গেছে রাজধানীর বিভিন্ন সবজি-বাজারে। সপ্তাহের ব্যবধানে দাম কমেছে সব ধরনের সবজির।
কিন্তু বাড়তি দামে বিক্রি হতে দেখা গেছে বিভিন্ন ধরনের মাছ। অপরিবর্তিত রয়েছে মাংস, ডিম, ডাল, চাল, চিনি, ভোজ্যতেলসহ অন্যান্য পণ্যের দর।
শুক্রবার (১৩ ডিসেম্বর) রাজধানীর রামপুরা, মালিবাগ, মালিবাগ রেলগেট, খিলগাঁও, মতিঝিল টিঅ্যান্ডটি বাজার ও ফকিরাপুল কাঁচা বাজার ঘুরে এমন চিত্রই দেখা গেছে।
সপ্তাহ ব্যবধানে ২০ টাকা কমে কেজিপ্রতি শিম (কালো) বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৬০ টাকা,টমেটো (কাঁচা) ৩০ থেকে ৪০ টাকা, কাঁচা মরিচ ৫০ থেকে ৬০ টাকা, শিম (সাদা) ৪০ থেকে ৫০ টাকা, গাজর (ফ্রেশ) ৬০ থেকে ৭০ টাকা, গাজর (রেগুলার) ৪০ টাকা, টমেটো ৭০ থেকে ৮০ টাকা, বেগুন ৪০ থেকে ৬০ টাকা দরে।
বাজারে আলুর দর কয়েক সপ্তাহ ধরে বাড়লেও বর্তমানে তা কেজিতে ১৫ থেকে ৪০ টাকা পর্যন্ত কমেছে। এসব বাজারে নতুন আলু কেজিপ্রতি ৪০ থেকে ৫০ টাকা, পুরান আলু ২৩ থেকে ২৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। গত সপ্তাহে কেজিপ্রতি পুরান আলু বিক্রি হয়েছিল ৩৫ থেকে ৪০ টাকা, নতুন আলু (আকারভেদে) ৮০ থেকে ১০০ টাকা।
এসকল বাজারে কেজিপ্রতি ৫ থেকে ১৫ টাকা কমে প্রতি কেজি পটোল বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকা, ঝিঙা-ধুন্দল ৫০ থেকে ৬০ টাকা, করলা ৬০ থেকে ৭০ টাকা, ঢেঁড়স ৪০ থেকে ৫০ টাকা, পেঁপে ২০ থেকে ৩০ টাকা, কচুর ছড়া ৫০ থেকে ৬০ টাকা, কচুর লতি ৫০ থেকে ৭০ টাকা, শসা ৬০ থেকে ৭০ টাকা, ক্ষিরা ৪০ থেকে ৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে।
এছাড়াও আকারভেদে প্রতি পিস বাঁধাকপি বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকা, ফুলকপি ৩০ থেকে ৫০ টাকা, লাউ ৫০ থেকে ৭০ টাকা, জালিকুমড়া ৩০ থেকে ৪০ টাকায়।
দাম কমেছে শাকের বাজারে। এসব বাজারে আটিপ্রতি ৩ থেকে ৫ টাকা কমে প্রতি আটি (মোড়া) কচু শাক ৫ থেকে ৭ টাকা, লাল শাক ৮ থেকে ১০ টাকা, মূলা শাক ১০ থেকে ১২ টাকা, পালং শাক ১৫ থেকে ২০ টাকা, পুঁই শাক ১২ থেকে ১৫ টাকা, লাউ শাক ২৫ থেকে ৩০ টাকায় বিক্রি করতে দেখা গেছে।
আনন্দবাজার/এফআইবি








