দাম কমার সুফল পাচ্ছেন না খুচরা ব্যবসায়ীরা
দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির প্রতিযোগিতায় বন্দরনগরী চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জে ভোক্তাদের জন্য স্বস্তি নিয়ে এসেছে চালের দাম। প্রতিবস্তা (৫০ কেজি) চালে প্রকারভেদে ৫০ থেকে ৬০ টাকা পর্যন্ত দাম কমেছে। গতকাল মঙ্গলবার বন্দরনগরীর বৃত্ততম পাইকারি চাল ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে এমন তথ্য জানা গেছে।
সরেজমিনে বৃহত্তম চাকতাই খাতুনগঞ্জ বাজারে ঘুরে দেখা যায়, খুচরা চাল ব্যবসায়ীরা বিভিন্ন জাতের চালের পসরা সাজিয়ে বসে আছেন। তবে ক্রেতার সংখ্যা তুলনামূলকভাবে অনেক কম। ফেমাস রাইচ এজেন্সির চাল ব্যবসায়ী সালাউদ্দিন বলেন, ইরি মোটা চাল প্রতি বস্তায় (৫০ কেজি) ৫০ থেকে ৬০ টাকা কমেছে। দেশী বেতী (৫০ কেজি) ২৩শ’ থেকে ২৩৫০ টাকা। ভারতীয় বেতী (৫০ কেজি) ২১৮০ থেকে ২২৩০, কাটারি আতব চাল (২৫ কেজি) ১৪৫০ থেকে ১৯০০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। চালের দাম আরও কমতে পারে বলে তিনি জানান।
অন্যদিকে, খুচরা ব্যবসায়ী দিদারুল আলম বলেন, চালের দাম কমেনি। স্থিতিশীল আছে। তিনি বলেন, ৫০ থেকে ৬০ দাম কমলেও আগের তুলনায় পরিবহন খরচ বেড়েছে। তাই এ সামান্য ৫০ থেকে ৬০ টাকা বস্তা প্রতি দাম কমলেও তার প্রভাব পড়েনি খুচরা বাজারে।
ডালের বাজারে ঘুরে জানা যায়, কেজি প্রতি কিছু কিছু ডালের দাম কমলেও বাকি সব স্থিতিশীল রয়েছে। পাইকারি ডাল ব্যবসায়ী মেসার্স আনোয়ারা ট্রেডার্সের মালিক অজয় দত্ত জানান, ১ নাম্বার মশুরি ডাল ১১৭ থেকে ১২০ টাকা, মটরডাল ৬৩, ছোলা ডাল ৬৩ থেকে ৬৭, মুগ ডাল ১ নাম্বার ১শ’, চিড়া ৪৪ টাকা দরে চলছে।
সাধারণ ক্রেতারা বলছেন, দেশে সব ধরণের খাদ্যপণ্যের দাম বাড়ানোর প্রতিযোগিতার মাঝেও অতি প্রয়োজনীয় চালের দাম কমাটা ভোক্তাদের জন্য সু-খবর হলে ও পাচ্ছেন না তারা স্বল্পমূল্যে। বিশেষ করে স্বল্প আয়ের পরিবারের জন্য এটি আরও ক্ষোভের সংবাদ বলা চলে।
খাদ্য মন্ত্রণালয় ও জাতীয় ভোক্তা অধিদপ্তরের অভিযান, আমদানির অনুমতি, শুল্ক হ্রাসসহ নানান উদ্যোগ নিয়ে দাম পাইকারি বাজারে কিছুটা নাগালের মধ্যে আনা কিছুটা সম্ভব হয়েছে। গত পাঁচ-ছয় দিনের ব্যবধানে নিত্যপ্রয়োজনীয় প্রায় সব ধরণের দাম কমলেও খুচরা মূল্যে এখনো আগের মত স্থিতিশীল রয়ে গেছে।









