চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দরসহ দেশের অন্যান্য বন্দরে বিজিএমইএ ও বিকেএমইএ সদস্যদের থাকা পণ্যের কন্টেইনার খালাস করে তাদের বন্ডেড ওয়্যারহাউজে রাখার নির্দেশ দিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।
গত ১৭ এপ্রিল বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এ সংক্রান্ত এক নির্দেশনা সংযুক্তি করে শনিবার (১৮ এপ্রিল) চিঠির মাধ্যমে সকল সদস্যদের জানিয়ে দিয়েছে বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিকেএমইএ)।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় অনুযায়ী, করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সরকার ঘোষিত সাধারণ ছুটির কারণে আমদানিকারকরা পণ্য ডেলিভারি গ্রহণ না করায় চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দর ও দেশের বিভিন্ন বন্দরগুলোতে (বিমান ও নৌ) কন্টেইনারের সংখ্যা প্রতিনিয়ত বেড়েই চলেছে।
এর ফলে বন্দরগুলোয় নতুন কন্টেইনার নামানো বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। চট্টগ্রাম বন্দরের পরে থাকা কন্টেইনারের অর্ধাংশই বিজিএমইএ ও বিকেএমইএ-এর সদস্যভুক্ত কারখানার। এ সমস্যার সমাধানে বিজিএমইএ ও বিকেএমইএ-এর সদস্যদের আমদানি করা পণ্য গ্রহণ করে বিধানানুযায়ী তাদের বন্ডেড ওয়্যারহাউজে সংরক্ষণের ব্যবস্থা গ্রহণ করা প্রয়োজন- বলে নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের বস্ত্র সেলের সহকারী প্রধান শামীমা আকতার সই করা এই নির্দেশনায় বলা হয়েছে, বন্দরের কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনসহ বন্দরগুলো সচল রাখাতে অতিসত্তর চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দরসহ অন্যান্য বন্দরে আসা কন্টেইনারগুলো জরুরি ভিত্তিতে ডেলিভারি গ্রহণ করাসহ প্রযোজ্য ক্ষেত্রে তাদের বন্ডেড ওয়্যারহাউজে সংরক্ষণের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ জানানো হলো।
আনন্দবাজার/তা.তা









