আগামী ৫ মে পর্যন্ত দেশে সাধারণ ছুটি থাকলেও দেশের অর্থনীতি সচল রাখতে চালু করা হয়েছে ১ হাজার ১ শত পোশাক কারখানা। আজ সোমবার চালু করা হয়েছে ৫ শতাধিক এবং রোববার চালু করা হয় ৬ শতাধিক তৈরি পোশাক কারখানা।
দেশে পর্যায়ক্রমে সব গার্মেন্টস খোলা হবে জানা যায়। ‘অর্থনীতির চাকা সচল’ রাখতেই কারখানাগুলো চালু করেছেন মালিকরা।
তৈরি পোশাক কারখানা বা রেডিমেড গার্মেন্টস ফ্যাক্টরির মালিকদের সংগঠন বাংলাদেশ তৈরি পোশাক প্রস্তুত ও রফতানিকারক সমিতির (বিজিএমএইএ) তথ্য মতে, রোববার তাদের সদস্যভুক্ত ৫০২টি পোশাক কারখানা খুলেছে। এর মধ্যে নারায়ণগঞ্জের ১৮টি, সাভার-আশুলিয়ার ১২৯টি, ঢাকার ২৫টি, গাজীপুরের ২৩৮টি ও চট্টগ্রামের ৯২টি কারখানা খোলা হয়েছে। আর দেশের বাংলাদেশ নিটওয়্যার প্রস্তুত ও রফতানিকারক সমিতির (বিকেএমইএ) মতে, রোববার তাদের ১০ থেকে ১২টি কারখানা খোলা ছিল। এছাড়া আজ সোমবার থেকে ৫ শতাধিক কারখানা চালু হয়েছে।
দেশের শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়ী সংগঠন ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এফবিসিসিআই) আয়োজিত এক আলোচনা সভায় বিজিএমইএ সভাপতি ড. রুবানা হক জানান, পোশাকশিল্পের ৮৬৫টি কারখানা খুলে দেওয়ার দাবি আছে। এ পর্যন্ত তিন বিলিয়ন ডলারেরও বেশি ডলারের অর্ডার বাতিল হয়েছে। আমাদের ওপর কারখানা খুলে দেওয়ার চাপ আছে। অনেকের অর্ডার আছে। এলাকাভিত্তিক সিদ্ধান্ত নিয়ে দিনক্ষণ বেধে, সীমিত আকারে, স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করে কারখানা খুলে দেওয়ার পদক্ষেপ নিতে তিনি সবার সহযোগিতা চান।
বিজিএমইএ সভাপতি বলেন, প্রতিদ্বন্দ্বী দেশগুলোতে যদি অর্ডার চলে যায়, তাহলে তা ফেরত আনা কঠিন হবে। তাই সীমিত শ্রমিক নিয়ে সীমিত আকারে কারখানা খোলার সিদ্ধান্ত নেওয়া জরুরি।
শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) থেকেই কর্মচারী ও শ্রমিকরা ঢাকায় ফিরতে শুরু করে। তবে ৫ মে পর্যন্ত গণপরিবহন বন্ধ থাকায় শনিবারও (২৫ এপ্রিল) অনেক শ্রমিকই কর্মস্থলে ফিরেছেন বিকল্প উপায়ে।
আনন্দবাজার/শহক









