প্রণোদনার বিষয়ে কোনো তথ্যই জানে না প্রান্তিক ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক। প্রণোদনা ঋণের জন্য কি করতে হবে, স্থানীয় প্রাণিসম্পদ বা কৃষি অফিস থেকে সুপারিশ লাগবে কি না, কোনো ফার্মের রেজিস্ট্রেশন বাধ্যতামূলক কি না, এসবের কোনো খবর নেই দেশের প্রান্তিক কৃষকের কাছে।
কিন্তু করোনার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সহযোগিতা করার জন্য সরকার ঘোষিত বিশেষ প্রণোদনা প্যাকেজের আওতায় ঋণগ্রহীতাদের আবেদন কম সময়ের মধ্যে যাচাই-বাছাই করে দ্রুত ঋণ বিতরণের ব্যবস্থা করার নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। তবে এ বিষয়ে কোনো কিছুই জানেন না প্রান্তিক কৃষক।
প্রান্তিক কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, এ সম্পর্কে তারা কিছুই জানেন না। কোনো কোনো স্থানে প্রাণিসম্পদ অফিস থেকে তালিকা করে নিয়ে গেছে। কিন্তু সেটা কীসের তালিকা তাও কোনো কৃষক বলতে পারেন না।
পাবনা জেলার সাথিয়া উপজেলার খামারি বেলায়েত হোসেন বলেন, প্রাণিসম্পদ অফিস থেকে লোকজন এসে ক্ষতিগ্রস্ত খামারিদের তালিকা তৈরি করে নিয়ে গেছে। কিন্ত লোন বা প্রণোদনার টাকা সম্পর্কে তারা কিছুই বলেননি। বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা প্রসঙ্গে আমরা কিছুই জানি না।
সিরাজগঞ্জের শাহাজাদপুর উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা মো. আবদুস সালাম বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা করা বা প্রণোদনার বিষয়ে আমাদের কাছে কোনো নির্দেশনা এখন পর্যন্ত আসেনি। তবে নির্দেশনা এলে আমরা কৃষককে সহযোগিতা করতে পারব। সরকারের কোনো নির্দেশনা না থাকলে আমরা কিছুই করতে পারব না।
সিরাজগঞ্জ জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপপরিচালক (ডিডি) কৃষিবিদ মো. হাবিবুল হক বলেন, প্রণোদনার বিষয়টি ব্যাংক দেখবে। যারা খামারি, ব্যাংকের সঙ্গে তারা লেনদেন করেন। ব্যাংকও তাদের খামার সম্পর্কে ওয়াকিবহাল।
আনন্দবাজার/শহক








