দেশের মোট উৎপাদিত সয়াবিনের একটি বিশাল অংশ উৎপাদিত হয় লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে। তাই বোরো ধানের চাষ ছেড়ে সয়াবিন আবাদে ঝুঁকছেন এ অঞ্চলের অধিকাংশ কৃষক। কৃষকদের অভিযোগ, সার, কীটনাশক, জ্বালানি, সেচ সংকটসহ কৃষি উপকরণের মূল্য ও শ্রমিকের মজুরি বেড়ে যাওয়ায় ধান আবাদ করা যাচ্ছে না। এ বছর এই উপজেলায় প্রায় তিন হাজার ৮৪৫ হেক্টর জমিতে বোরো ধানের চাষ হচ্ছে না।
উপজেলা কৃষি কার্যালয় কর্তৃপক্ষের মতে, উপজেলা ও পৌরশহরে ১০ হাজার ৭৪৫ হেক্টর জমিতে বোরো ধানের চাষ হয়। চলতি মাসের শেষ সপ্তাহ পর্যন্ত ছয় হাজার ৯০০ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদ হয়। বিগত বছরের চেয়ে এবার অস্বাভাবিক হারে কমে যায় এ চাষ। পাঁচ বছর ধরে বোরো চাষের লক্ষ্যমাত্রা পুরণ না হলেও প্রায় তিন গুণ বেড়েছে সয়াবিনের চাষ।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. হোসেন শহীদ সরোয়ারদী জানান, বোরো আবাদের জন্য সার্বক্ষণিক কৃষকদের উৎসাহিত করা হলেও উৎপাদন ব্যয় বাড়ায় ও লাভজনক হবে না বলে যুক্তি দেখিয়ে কৃষকরা বোরো আবাদে আগ্রহ কম দেখাচ্ছে। তারপরও লক্ষ্যমাত্রা সঠিক ভাবে পুরণ হচ্ছে। যেসব জমিতে বোরো আবাদ হয়নি সেগুলোতে সয়াবিনসহ বিভিন্ন ফসল আবাদের জন্য কৃষকদের পরামর্শ দেয়া হচ্ছে।
আনন্দবাজার/তাঅ









