চালের ডিলার মুরাদ হোসেন মোল্লা ১৫ টাকা কেজি দরে ভোক্তাদের কাছে ৩০ কেজি চাল বিক্রি করলে ভোক্তারা ২৭-২৮ কেজি চাল পাচ্ছেন। একাধিক ব্যক্তি আমাকে বিষয়টি জানিয়েছেন: সাইফুল ইসলাম, ইউপি চেয়ারম্যান, বাঙ্গড্ডা ইউনিয়ন, নাঙ্গলকোর্ট
৩০ কেজি চাল দিতে হবে। কম দিলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে: রায়হান মেহেবুব উপজেলা নির্বাহী অফিসার, নাঙ্গলকোট
কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির ১৫ টাকা কেজির চালের ডিলারের বিরুদ্ধে ওজনে কম দেওযার অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার বাঙ্গড্ডা ইউনিয়নের বাঙ্গড্ডা পূর্ব বাজার এলাকার মুরাদ হোসেন মোল্লার বিরুদ্ধে এ অভিযোগ।
গতকাল শুক্রবার সরেজমিন গিয়ে ভোক্তাদের চাল ডিলারের সামনে ওজন দিলে তা কম পাওয়া যায়। যদিও খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চাল বিক্রির সময় সরকারি একজন কর্মকর্তা (ট্যাগ অফিসার) উপস্থিতিতে চাল বিক্রির নিয়ম থাকলেও কাউকে পাওয়া যায়নি। গতকাল প্রায় শতাধিক ভোক্তাকে চাল ওজনে কম দেয় ডিলার।
খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির উপকারভোগী সাহেন আরা বেগম (কার্ড নং ৬০) তিনি বলেন, ১৫ টাকা কেজিতে ৪৫০ টাকা দিয়ে ডিলার মুরাদ হোসেন মোল্লার কাছ থেকে ৩০ কেজি চাল ক্রয় করি। তবে, ওজন মেপে ২৭ কেজি চাল পাওয়া যায়। একই অভিযোগ করেন, জাহেদুল ইসলাম (কার্ড নং ১০০) এবং সাইফুল ইসলাম (কার্ড নং ১০৩) সহ প্রায় শতাধিক ব্যক্তি।
এবিষয়ে বাঙ্গড্ডা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম বলেন, চালের ডিলার মুরাদ হোসেন মোল্লা ভোক্তাদের কাছে ৩০ কেজি চাল বিক্রি করেন ১৫ টাকা কেজি দরে। তবে, ভোক্তারা পাচ্ছেন ২৭ থেকে ২৮ কেজি চাল। বিষয়টি একাধিক ব্যক্তি তাকে জানান।
অভিযোগের বিষয়ে চালের ডিলার মুরাদ হোসেন মোল্লা বলেন, ৫০ কেজি চাল খাদ্যগুদাম থেকে কম দেয়া হয়। তাই ভোক্তাদেরকে ২৮ কেজি চাল দিচ্ছি।
এ বিষয়ে নাঙ্গলকোট উপজেলা নির্বাহী অফিসার রায়হান মেহেবুব বলেন, ৩০ কেজি চাল দিতে হবে। কম দিলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।









