আগামী জানুয়ারিতে ঘর পাবে ‘আম্ফানে’ ক্ষতিগ্রস্ত অসহায় হাজার পরিবার। ‘আম্ফান’র আঘাতে ঘর-বাড়ি হারিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয় অসংখ্য দরিদ্র পরিবার। কিন্তু এখনও সেই ক্ষতি পুষিয়ে উঠতে পারেননি অসহায় পরিবারগুলো। তাই এসব গৃহহীন মানুষের জন্য এক হাজার ঘর নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।
জানা গেছে, ২০২১ সালের জানুয়ারিতে এই ঘর পাবে ক্ষতগ্রস্থ ওইসব পরিবার। ২৫ জেলায় ঘরগুলো নির্মাণে ব্যয় নির্বাহের জন্য ২০২০-২১ অর্থবছরে জেলা প্রশাসকদের অনুকূলে জেলাভিত্তিক ক্রসড চেকের (অ্যাকাউন্ট পেয়ি চেক) মাধ্যমে ১৭ কোটি ১০ লাখ টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে।
যেসব জেলায় ঘর নির্মাণ হবে সেগুলো হচ্ছে- এ প্রকল্পের অধীনে বাগেরহাটে ২৫টি, গোপালগঞ্জে ৫০টি, নোয়াখালীতে ৫টি, কুষ্টিয়ায় ১৫টি, বরিশালে ২৫টি, ভোলায় ১০টি, মাদারীপুরে ৫টি, ঝালকাঠিতে ৫টি, খুলনায় ২৪৯টি, লক্ষ্মীপুরে ৬টি, চুয়াডাঙ্গায় ১৫টি, ফরিদপুরে ৫টি, পটুয়াখালীতে ১০টি, সাতক্ষীরায় ২১১টি, শরীয়তপুরে ৬টি, ঝিনাইদহে ১৬৩টি, মেহেরপুরে ১০টি, বগুড়ায় ১০টি, রংপুরে ৮টি, যশোরে ১৩৯টি, লালমনিরহাটে ৭টি, কুড়িগ্রামে ১টি, মানিকগঞ্জে ৫টি, মাগুরায় ১০টি এবং রাজবাড়ীতে ৫টি ঘর নির্মাণ হবে।
এ ব্যাপারে খুলনার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হেলাল হোসেন জানান, আমরা এখনও ঘর নির্মাণের কাজ শুরু করিনি। তবে অর্থ বরাদ্দ পেয়েছি। আগামী মাসের ১ম সপ্তাহে আমরা এই প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজ শুরু করব। ইউএনওদের মাধ্যমে এগুলো করা হচ্ছে। আমার মনে হয় জানুয়ারির মধ্যে শেষ করতে পারব।
সাতক্ষীরার জেলা প্রশাসক এস এম মোস্তফা কামাল জানান, আমরা ইউএনওদের কাছে টাকা পুনর্বণ্টন করে দিয়েছি এবং যারা ক্ষতিগ্রস্ত তাদের পূর্বেই চিহ্নিত করা আছে, কাজ শুরু হয়ে যাবে। আমরা ৩ মাসের মধ্যেই কাজটি শেষ করতে পারব। ডিসেম্বরের ১ তারিখে পুরো জেলাতেই কাজ শুরু করব। জানুয়ারির মধ্যে অবশ্যই ঘরগুলো হয়ে যাবে সবাই।
আনন্দবাজার/এইচ এস কে









