অবৈধভাবে আমদানি করা প্রায় সাড়ে তের মন স্বর্ণ ও বিপুল পরিমাণ ডায়মন্ড প্রায় একশ ৯০ কোটি টাকার মুদ্রাপাচারের অভিযোগ উঠেছে আপন জুয়েলার্সের বিরুদ্ধে। পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানটি কর ফাঁকি দিয়েছে আরো ২৮ কোটি টাকা। কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের অনুসন্ধানে উঠে এসেছে এসব তথ্য।
বনানীর রেইনট্রি হোটেলে ছাত্রী ধর্ষণের পরিপ্রেক্ষিতে ২০১৭ সালের মে মাসে আপন জুয়েলার্সের পাঁচটি শাখায় অভিযান চালায় কাস্টমস গোয়েন্দা। জব্দ করা হয় প্রায় সাড়ে তের মন স্বর্ণালংকার ও পৌনে আট হাজার পিস ডায়মন্ড অলংকার।
মামলার সাড়ে তিন বছর পর অভিযোগপত্র দিচ্ছে কাস্টমস গোয়েন্দা। তাই চাওয়া হয়েছে জাতীয় রাজস্ব রাজস্ব বোর্ডের অনুমোদন। প্রতিবেদন বলছে, এসব অলংকারের শুল্কায়নযোগ্য মূল্য প্রায় একশ ৯১ কোটি টাকা। যার বিপরীতে পরিশোধযোগ্য শুল্ককর প্রায় ২৮ কোটি টাকা। তদন্তে গোয়েন্দাদের এসব অলংকারের বিপরীতে বৈধ কাগজপত্র দেখাতে পারেনি আপন জুয়েলার্স কর্তৃপক্ষ। অর্থ পাচার করে চোরাচালানের মাধ্যমে এসব অলংকার আনা হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে গোয়েন্দারা। আর এনবিআরের দেয়া আয়কর নথিতে তথ্য গোপন করে দেয়া হয়েছে করফাঁকি। তবে এ বিষয়ে কথা বলতে রাজি হননি এনবিআর কর্মকর্তারা।
আনন্দবাজার/এফআইবি








