দিন যতই যাচ্ছে থাইল্যান্ডের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য ততই বৃদ্ধি পাচ্ছে। সম্প্রতি বাংলাদেশের সঙ্গে থাইল্যান্ডের বাণিজ্য ব্যবধানের হার কমাতে থাইল্যান্ডে ৩৬টি পণ্য রপ্তানিতে সুবিধা চেয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি।
তিনি জানিয়েছেন, বাংলাদেশের সঙ্গে থাইল্যান্ডের বাণিজ্য ব্যবধানের হার কমাতে পণ্য রপ্তানির ক্ষেত্রে ডিউটি ফ্রি, কোটা ফ্রি সুবিধা প্রয়োজন। আরও ৩৬টি পণ্য থাইল্যান্ডে রপ্তনির ক্ষেত্রে বাণিজ্য সুবিধা দেওয়া হলে উভয় দেশের বাণিজ্য বাড়বে এবং বাণিজ্য ব্যবধানের হার কমে আসবে। এছাড়া বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের জন্য দীর্ঘমেয়াদের ভিসা দেওয়া হলে দেশটিতে বাণিজ্য সহজ হবে।
আজ বুধবার (০৮ জানুয়ারি) থাইল্যান্ডের ব্যাংককে বাংলাদেশ-থাইল্যান্ড জয়েন্ট ট্রেড কমিটির (জেটিসি) পঞ্চম সভায় বানিজ্যমন্ত্রী এ কথা জানান।
বাণিজ্যমন্ত্রী জানান, বাংলাদেশে এখন বিনিয়োগের জন্য চমৎকার পরিবেশ বিরাজ করছে। এছাড়া প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উদ্যোগে দেশের বিভিন্ন এলাকায় ১০০টি স্পেশাল ইকোনমিক জোন গড়ে তোলার কাজ খুব দ্রুত এগিয়ে চলছে।
তিনি মন্তব্য করে জানান, থাইল্যান্ডের বিনিয়োগকারীরা এখন বাংলাদেশের হেল্থ সেক্টরে বিনিয়োগ করলে লাভবান হবেন। থাইল্যান্ড যৌথ উদ্যোগে বাংলাদেশে উন্নতমানের হসপিটাল নির্মাণ করলে বাংলাদেশ সরকার সহায়তা দেবে। এতে করে উভয় দেশের মানুষই উপকৃত হবে।
তিনি আরও জানান, গত ২০১৮-২০১৯ অর্থবছরে বাংলাদেশ থাইল্যান্ডে প্রায় ৪৪.০৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের পণ্য রপ্তানি করেছে। একই সময়ে আমদানি করেছে ৯৫২.৪৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের পণ্য। ’
এদিকে, থাইল্যান্ডে রপ্তানিযোগ্য বাংলাদেশের ৩৬টি পণ্যের তালিকা থাই কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করেছেন বানিজ্যমন্ত্রী। পরে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে উত্থাপিত বিষয়গুলো থাইল্যান্ড সরকার সহানুভূতির সঙ্গে বিবেচনা করবেন বলে সভায় জানানো হয়।
এছাড়া থাইল্যান্ডের বিনিয়োগকারীরা অল্প সময়ের মধ্যেই বাংলাদেশে বিনিয়োগের উদ্দেশ্যে স্পেশাল ইকোনমিক জোন পরিদর্শন করবেন। এছাড়া উভয় দেশই কৃষি ও স্বাস্থ্য সেবা খাতে কারিগরি সহযোগিতা বৃদ্ধি করার জন্য একমত হয়েছে।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশ-থাইল্যান্ড জয়েন্ট ট্রেড কমিটির ষষ্ঠ সভা সুবিধাজনক সময়ে ঢাকায় অনুষ্ঠিত হবে।
আনন্দবাজার/শাহী









