করোনাভাইরাস সংক্রমণ পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়ার ফলে আবারও বাড়ছে সাধারণ ছুটি।করোনা নিয়ন্ত্রণের কোনো বিকল্প না থাকায় এই ছুটি বাড়ানো হচ্ছে। এতে সরকার নানা চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছেন, সংক্রমণে রোধে মানুষকে ঘরে রাখতে ছুটি আরও বাড়ানোর প্রয়োজন হবে। এজন্য ছুটি বাড়ানোর জন্য যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে সুপারিশ করা হচ্ছে।
শনিরবার (১৮ এপ্রিল) সকালে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মো. আসাদুল ইসলাম জানান, ‘বর্তমানে যে পরিস্থিতি তাতে ছুটি আরও বাড়ানোর প্রয়োজন হবে। যেভাবে রোগী বাড়ছে ছুটি বাড়ানোর বিষয়ে আমরা সুপারিশ করব।’
এর আগে গত ২৬ মার্চ থেকে আগামী ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত টানা ৩১ দিনের ছুটি চলছে দেশে। কিন্তু করোনা পরিস্থিতির ক্রমেই অবনতি হচ্ছে।
যদিও মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ছুটি বাড়ানোর বিষয়টি পুরোপুরি প্রধানমন্ত্রীর উপর নির্ভর করছে। তবে টানা ছুটি দেশের উৎপাদন প্রক্রিয়াকে ব্যাহত করছে। বিপুল সংখ্যক মানুষকে করেছে কর্মহীন। ছুটি আরও বাড়ানো হলে খাদ্যের উপর প্রভাব পড়তে পারে। এখন বোরো কাটার মৌসুম চলছে, এটাই দেশের সবচেয়ে বড় ফসল। বোরো কৃষকের ঘরে তুলতে ছুটির কারণে সমস্যা দেখা দিয়েছে। গণপরিবহন বন্ধ থাকায় শ্রমিক সংকটে অনেক স্থানে বোরো কাটা যাচ্ছে না।
এছাড়া ঈদকে সামনে রেখে ব্যবসায়ীরা কর্মকাণ্ড চালাতে না পারলে অর্থনৈতিক ক্ষতি অনেক বেড়ে যাবে। আর কর্মহীন মানুষকে দীর্ঘদিন ঘরে আটকেও রাখা যাবে না। এই পরিস্থিতিতে সবকিছু বিবেচনা করে পরবর্তী সময়ে প্রধানমন্ত্রী ছুটি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেবেন বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
আনন্দবাজার/শহক









