দেশের সাত জেলায় হাওর খ্যাত অঞ্চলে দুই ধরনের জমিতে বোরো আবাদ হয়। এক ধরনের জমি হচ্ছে মূল হাওর এবং বাকিগুলো অপেক্ষাকৃত উঁচু সমতল ভূমি। ইতোমধ্যে মূল হাওরের ৯০ শতাংশ ধান কাটা হয়ে গেছে। তবে বিপত্তি বেধেছে সমতলের ধান কাটা নিয়ে। ধান পাকতে সময় লাগায় এখন পর্যন্ত সেখানে মাত্র ২৫ শতাংশ ধান কাটা হয়েছে। ফলে ধান ঘরে তোলা নিয়ে শঙ্কায় কৃষকরা।
কৃষকরা জানান, হাওরাঞ্চলের সমতল ভূমির অধিকাংশ জমিতে আবাদ হয়েছে নাবি জাতের ব্রি ধান-২৯। এগুলো পরিপক্ব হতে এখনো দুই সপ্তাহ লাগতে পারে। এদিকে রয়েছে আগাম বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস। এ কারণে ধান ঘরে তোলা নিয়ে শঙ্কায় আছেন কৃষক। সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার বরাম হাওরের একজন কৃষক জানান, হাওড়সহ ২৮ হেক্টর জমিতে ব্রি ধান-২৯ জাতের ধান চাষ করেছেন তিনি। কিছু জমিতে ধান পাকতে শুরু করেছে, যা ১০ থেকে ১২ দিন পর কাটা সম্ভব হবে, তার আগে নয়। এ প্রসঙ্গে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মোহাম্মদ সফর উদ্দিন জানান, মূল হাওরে ধান কাটা প্রায় শেষ পর্যায়ে। চেষ্টা করছি কৃষকদের সব ধরনের সহায়তা প্রদানের মাধ্যমে সময়মতো কৃষিযন্ত্র ও শ্রমিক পৌঁছানো। সব মিলিয়ে ৭০ ভাগ ধান কাটা শেষ। তবে জেলার কয়েক জায়গায় ব্রি ধান-২৯ জাতের ধান একটু দেরিতে পাকতে পারে। আগামী সপ্তাহের মধে হাওরে ধান কাটা শেষ করতে প্রচেষ্টা থাকবে। আনন্দবাজার/ টি এস পিসমতলের ধান নিয়ে উদ্বিগ্ন হাওরের কৃষক
প্রকাশ:









