উত্তরাঞ্চলের প্রায় ৯০ ভাগ মানুষই কৃষির ওপর নির্ভরশীল। তারা বিভিন্ন মৌসুমে বাণিজ্যিকভাবে তরমুজ, আলু, বেগুন, কপি, লাউ, করলা, বেগুন, শশা, মরিচ, টমেটোসহ রকমারী শাক-সবজি উৎপাদন করে এলাকার চাহিদা মিটিয়ে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহ করে থাকেন। তবে বর্তমানে করোনা সংক্রমণ রোধে জেলায় জেলায় লকডাউন ঘোষিত হওয়ায় উৎপাদিত সবজি ও ফসল কোথাও সরবরাহ করতে পারছে না তারা।
এমন পরিস্থিতিতে স্থানীয় বাজারে কিছু কিছু বাজারজাতের ব্যবস্থা থাকলেও ন্যায্যমূল্য পাচ্ছেন না বলে জানায় কৃষকরা। ফলে তাদের উৎপাদিত সবজি এখন পানির দামে বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন তারা। এতে মহাজন ও বিভিন্ন সংস্থা থেকে নেওয়া ঋণের বোঝা মাথায় নিয়ে হতাশায় দিন কাটছে তাদের। এ অবস্থায় স্বল্প সুদে ঋণসহ পৃথক প্রণোদনা দাবি করেছেন ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা।
রবিবার (১৯ এপ্রিল) উপজেলার পঞ্চগড় কলেজ মাঠে অস্থায়ী বাজারে গিয়ে দেখা যায়, কৃষকরা তাদের কষ্টার্জিত লাউ, বেগুন, করলাসহ বিভিন্ন সবজি নামমাত্র মূল্যে ক্রেতাদের কাছে বিক্রি করে দিচ্ছেন। এক বেগুনচাষী তার খেতের ২২ বস্তা বেগুন ৫০০ টাকায় বিক্রি করেন আর একজন লাউচাষী প্রতি পিস লাউ ৩ টাকা দরে বিক্রি করেছেন। তারা বলেন, স্বাভাবিক পরিস্থিতি থাকলে বেগুন কেজি প্রতি ১০ থেকে ১২ টাকা আর লাউ ১৫ থেকে ২০ টাকা দরে বিক্রি হতো। করোনা পরিস্থিতিতে যে দামে তারা সবজি বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন এতে তাদের শ্রমিকের খরচও পাচ্ছেন না।
আনন্দবাজার/তা.তা









