সরকারি সেবা ডিজিটালাইজেশন বিষয়ক ‘ই-গভর্ন্যান্স বিধানাবলি’ শীর্ষক বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করা হয়েছে। এটি বাংলাদেশের ‘ই-গভর্ন্যান্স বিধানাবলির’ ওপর প্রথম বই। বইটি সংকলন করেছেন আইসিটি বিভাগের সিনিয়র সচিব এন এম জিয়াউল আলম ও বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের (বিসিসি) নির্বাহী পরিচালক ড. আব্দুল মান্নান।
আগারগাঁওয়ে অবস্থিত আইসিটি টাওয়ারের পঞ্চম তলায় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সম্মেলন কক্ষে বুধবার বেলা ১২টায় বইটির মোড়ক উন্মোচন করা হয়। বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন ফর সফটওয়্যার ইনফরমেশন সার্ভিসেসের (বিসিস) নির্বাহী পরিচালক এএনএম জিয়াউল আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। বইটির মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে এক হাজার ২০০ টাকা।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, ২০২১ সালে আমরা বিশাল একটি বই প্রকাশ করতে পারছি যা মাইল ফলক হয়ে থাকবে। এই বইটিতে আইন, নীতিমালা ও কৌশলপত্র নির্দেশিকা মিলিয়ে মোট ১২টি নীতিমালা, ৮টি কৌশলপত্র, ১৬টি নির্দেশিকা, ৩০টি পরিপত্র, অফিস স্মারক, ৮টি বিধিমালা এবং ১৫টি আইন সংকলন করা হয়েছে। এর মধ্যে শুধুমাত্র একটি ডিসিসি আইন ১৯৯০ সালের আর বাকি সবকিছু ২০০৮ এর ডিজিটাল রূপরেখা ঘোষণা করার পর। এখানে এমন কিছু নীতিমালা, আইন ও প্রজ্ঞাপন আছে যা প্রাইভেট সেক্টরে উন্নতির জন্য অত্যন্ত সহায়ক ভুমিকা পালন করবে। বইটির বিষয়ে পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন, ন্যাশনাল বোর্ড অব রেভিনিউর কিছু প্রজ্ঞাপন যুক্ত করা প্রয়োজন। ইংরেজি ভার্সন ও সফট কপি যুক্ত করলে সবাই উপক্রিত হবে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ই-গভর্ন্যান্সের যত অগ্রগতি এবং যা কিছু অর্জন সবই কিন্তু মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এই ১২ বছরে সম্ভব হয়েছে। বাংলাদেশকে ৪টি স্তম্ভ মানবসম্পদ উন্নয়ন, সকলের জন্যে সুলভ মূল্যে ইন্টারনেট, ই-গভর্ন্যান্স ও প্রযুক্তি শিল্পের ওপর দাঁড়াতে একটি সু-নির্দিষ্ট লক্ষ্য স্থির করে দিয়েছিলেন মাননীয় উপদেষ্টা সজিব ওয়াজেদ জয়। স্তম্ভগুলোর মধ্যে ই-গভর্ন্যান্স অন্যতম এবং শক্তিশালী। এ সেক্টরে যারা আছেন তাদের যোগ্যতা, দক্ষতা, শ্রম এবং মেধার বিনিময়ে আমরা একটি শক্তিশালী ভিতের ওপর দাঁড় করাতে পেরেছি।
সভাপতির বক্তব্যে বিসিসি নির্বাহী পরিচালক এএনএম জিয়াউল আলমের বলেন, ডিজিটাল সেবা বাস্তবায়নের আইন ও বিধিবিধানগুলো সহজে পাওয়ার জন্য প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলকের দিকনির্দেশনায় বইটি লেখা হয়েছে। এই বইতে শুধু বিধানাবলীর মূল পয়েন্টগুলো তুলে ধরা হয়েছে। যারা ই-গভর্ন্যান্স নিয়ে গবেষণা করতে চান তাদের জন্য বইটি খুবই সহজ হবে। প্রতিবছর বইটি আপডেট করা হবে এবং বইটি অনলাইনেও পাওয়া যাবে।
আনন্দবাজার/শহক









