বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক রয়েছে বাংলাদেশের। এ সম্পর্ককে অর্থনৈতিক কূটনীতিতে পরিবর্তনের ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বিষয়টিকে ভিত্তি ধরে অর্থনৈতিক কূটনীতি বিষয়ে বিশেষ প্রতিবেদন প্রকাশ করছে দৈনিক আনন্দবাজার। আজ বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের রপ্তানিবাণিজ্য সম্পর্ক বিষয়ে ‘বাড়ছে মার্কিন বাজার‘ শিরোনামে চতুর্থ প্রতিবেদন।
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হাতে ১৯৭২-৭৩ অর্থবছরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ব্যবসায়িক সম্পর্কের ভিত্তি রচিত হয়। প্রথম বছরই ৭১ হাজার ৩৯২ মার্কিন ডলারের পণ্য রপ্তানি করে বাংলাদেশ। এর পরের বছর কিছুটা কমে আসে। ১৯৭৩-৭৪ অর্থবছরে ৬০ হাজার ৪৭ রপ্তানি হয়। ১৯৭৪-৭৫ অর্থবছরে ৫৬ হাজার ৯০৯ ইউএস ডলার। এই চার বছরে রপ্তানির মাত্রা ক্রমেই হ্রাসের দিকে গেছে। ৪৯ বছরে রপ্তানি বৃদ্ধি পেয়েছে ৯ হাজার ৭৬৮.৬১ গুণ মার্কিন ডলারের।
মূলত, ভারতীয় উপমহাদেশের বঙ্গের সঙ্গে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যিক সম্পর্ক স্থাপিত হয় ১৮৬০ সালে। এ সময় ফোর্ট উইলিয়ামের আমেরিকান কনস্যুলেট জেনারেল চট্টগ্রামে কনস্যুলার এজেন্সি খোলেন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকালীন বার্মা ক্যাম্পেইনের অংশ হিসেবে পূর্ববঙ্গে আমেরিকান নৌ, বিমান ও সামরিকবাহিনী নিযুক্ত ছিল। এরপর ১৯৪৯ সালের ২৯ আগস্ট মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ভারত বিভাগের পর ঢাকায় কনস্যুলেট জেনারেল স্থাপন করে এবং তখন পূর্ববঙ্গ হয়ে উঠে পাকিস্তান শাসনের পূর্বশাখা।
১৯৬০ সালের দিকে আমেরিকান শিক্ষক, স্থাপত্যবিদ এবং সাহায্যকর্মীরা পূর্ব পাকিস্তানের রাজধানীতে প্রায়শই আসতেন। ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭২ সালের ৪ এপ্রিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়। সেই সঙ্গে সহায়তার জন্য ৩০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার দেয়। তখন হার্বার্ট ডি. স্পিভ্যাক ঢাকায় নিযুক্ত প্রধান আমেরিকান কূটনীতিক কর্মকর্তা ছিলেন। চারদিন পর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশ দূতাবাস পর্যায়ে পারস্পরিক কূটনৈতিক সম্পর্ক উন্নীত করতে সম্মত হয়। একই বছরের ১৮ মে কনস্যুলেট জেনারেল দূতাবাসে উন্নীত হয়। সেই থেকে বাণিজ্য সম্পর্ক দ্রুতগতিতে এগিয়ে যেতে থাকে। বর্তমানে বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান তৈরি পোশাক রপ্তানি দেশ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো-ইপিবি’র গবেষণা কর্মকর্তা (পরিসংখ্যান ও গবেষণা) মো. মেহেদুন্নবী দৈনিক আনন্দবাজারকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানিমুখী শতাধিক পণ্যের তথ্য তুলে ধরেন। সেই তথ্যমতে, ২০২০-২১ অর্থবছরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশ যেসব পণ্য রপ্তানি করেছে তার মধ্যে রয়েছে, ১. তৈরি পোশাক, ২. পোশাকের জিনিসপত্র, ৩. জুতা, ৪. তৈরি টেক্সটাইল, ৫. হেডগিয়ার ও তার যন্ত্রাংশ অংশ, ৬. চামড়া, ৭. চামড়াজাত পণ্য, ৮. ভ্রমণ পণ্য, ৯. হ্যান্ডব্যাগ, ১০. প্রস্তুত পালক, ১১. কৃত্রিম ফুল, ১২. মানুষের চুল, ১৩. আসবাবপত্র, ১৪. বিছানাপত্র, ১৫. গদি, ১৬. কুশন ১৭. গৃহসজ্জার সামগ্রী, ১৮. বাতি, ১৯. আলোর জিনিসপত্র, ২০. মাছ।
এছাড়াও তালিকায় রয়েছে, ২১. ক্রাস্টেসিয়ান, ২২. জলজ অমেরুদণ্ডী প্রাণী, ২৩. জরি, ২৪. উদ্ভিজ্জ টেক্সটাইল ফাইবার, ২৫. কাগজের সুতা, ২৬. কাগজের সুতার বোনা কাপড়, ২৭. প্লাস্টিক ও প্লাস্টিক সামগ্রী, ২৮. সিরিয়াল, ২৯. ময়দা, ৩০. মাড় বা দুধের প্রস্তুতি, ৩১. অপটিক্যাল, ৩২. ফটোগ্রাফিক, ৩৩. সিনেমাটোগ্রাফিক, ৩৪. চিকিৎসা বা অস্ত্রোপচারের যন্ত্রপাতি, ৩৫. ফার্মাসিউটিক্যাল পণ্য, ৩৬. খেলনা, ৩৭. খেলাধুলার প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র, ৩৮. খড়, ৩৯. এসপার্টো বা অন্যান্য প্লেটিং উপকরণ, ৪০. ঝুড়ি।
অন্যদিকে, ৪১. বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি এবং সরঞ্জাম, ৪২. সাউন্ড রেকর্ডার, ৪৩. রিপ্রডিউসার, ৪৪. টেলিভিশন ইমেজ, ৪৫. সিরামিক পণ্য, ৪৬. তামাক ও তামাকের বিকল্প পণ্য, ৪৭. শাকসবজি, ৪৮. ফল, ৪৯. বাদাম, ৫০. রেলওয়ে বা ট্রামওয়ে রোলিং-স্টক ব্যতীত অন্যান্য যানবাহনের আনুষাঙ্গিক অংশ, ৫১. কার্পেট ও অন্যান্য টেক্সটাইল মেঝে আচ্ছাদন, ৫২. কফি, ৫৩. চা, ৫৪. মশলা, ৫৫. কাঁচ এবং কাচের পাত্র, ৫৬. আকরিক, ৫৭. স্ল্যাগ, ৫৮. ছাই, ৫৯. লোহা বা ইস্পাতের নানান জিনিসপত্র, ৫৯. খাদ্য শিল্পের অবশিষ্টাংশ এবং বর্জ্য, ৬০. প্রস্তুত পশুখাদ্য।
তাছাড়া রপ্তানি পণ্যের তালিকায় রয়েছে, ৬১. সিরিয়াল, ৬২. পারমাণবিক চুল্লি, ৬৩. বয়লার, ৬৪. ওয়েডিং ফেল্টস, ৬৫. বিশেষ সুতা, ৬৬. দড়ি, ৬৭. বেস মেটালের বিবিধ জিনিসপত্র, ৬৮. পশু বা উদ্ভিজ্জ চর্বি, ৬৯. তেল, ৭০. প্রস্তুত ভোজ্য চর্বি, ৭১. জৈব রাসায়নিক, ৭২. ভোজ্য সবজি, নির্দিষ্ট মূল এবং কন্দ, ৭৩. লবণ, ৭৪. সালফার, ৭৫. পাথর, ৭৬. লির্ন এবং সিমেন্ট, ৭৭. তুলা, ৭৮. চিনি ও মিষ্টান্ন, ৭৯. অ্যালুমিনিয়াম সামগ্রী, ৮০. কাঁচা চামড়া, ৮১. মুদ্রণ শিল্পের মুদ্রিত বই, ৮২. সংবাদপত্র, ৮৩. ছবি এবং অন্যান্য পণ্য, ৮৪. ঘড়ি এবং ঘড়ির যন্ত্রাংশ, ৮৫. তেল বীজ, ৮৬. অলিজিনাস ফল, ৮৭. বিবিধ শস্য, বীজ ৮৮. শিল্প বা ঔষধি গাছ, ৮৯. দুগ্ধজাত পণ্য, ৯০ পাখির ডিম।
আরও অন্যতম রপ্তানিপণ্য হলো- ৯১. প্রাকৃতিক মধু, ৯২. শিল্পকর্ম, সংগ্রাহকদের টুকরা এবং প্রাচীন জিনিসপত্র, ৯৩. লোহা এবং ইস্পাত, ৯৪. তরমুজের খোসা, ৯৫. সুগন্ধি, প্রসাধনী বা টয়লেট্রিজ, ৯৬. কাঠ এবং কাঠের জিনিসপত্র, ৯৭. কাঠকয়লা, ৯৮. ছাতা, ৯৯. হাঁটার লাঠি, ১০০. আসনের লাঠি, চাবুক, ১০১, সাবান, ১০২. বেস ধাতুর সরঞ্জাম, ১০৩. কাটলারি, ১০৪. চামচ, ১০৫. পানীয়, ১০৬. প্রাকৃতিক বা সংষ্কৃত মুক্তা, ১০৭. মূল্যবান বা আধা-মূল্যবান পাথর, ১০৮. মূল্যবান ধাতু, ১০৯. অনুকরণ গহনা, ১১০. বাদ্যযন্ত্র ও আনুষাঙ্গিক, ১১১. বিমান বা মহাকাশযানের যন্ত্রাংশ, ১১২. বিভিন্ন রাসায়নিক পণ্য ও ১১৩. মনুষ্যসৃষ্ট ফিলামেন্ট ইত্যাদি।
রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১৯৭৫-৭৬ অর্থবছরে রপ্তানি হয় ৬১ হাজার ৯১৮ মার্কিন ডলার। ১৯৭৬-৭৭ অর্থবছরে আবার কমে আসে ৫৩ হাজার ৪৪০ ইউএস ডলার। ১৯৭৭-৭৮ অর্থবছরে কিছুটা বেড়ে ৬৪ হাজার ৯১৫ মার্কিন ডলার। ১৯৭৮-৭৯ অর্থবছরে ১৮ হাজার ৩০ মার্কিন ডলার বৃদ্ধি পেয়ে তা দাঁড়ায় ৮৩ হাজার ২১৫ মার্কিন ডলার। ৪ হাজার ২৯০ মার্কিন ডলার বৃদ্ধি পেয়ে ১৯৭৯-৮০ অর্থবছরে ৮৭ হাজার ৫০৫ মার্কিন ডলার। তবে ৩ হাজার ৯৮৯ ডলার কমে ১৯৮০-৮১ অর্থবছরে নেমে আসে ৮৩ হাজার ৫১৬ মার্কিন ডলারে। এই পাঁচ বছরে ২১ হাজার ৫৯৮ মার্কিন ডলার বৃদ্ধি পায়।
১৯৮১ থেকে ১৯৯০ অর্থবছর পর্যন্ত ১০ বছরে পণ্য রপ্তানি বৃদ্ধি পায় ২২ লাখ ২৩ হাজার ৩২৬ মার্কিন ডলারের। সেই হিসেবে রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, ৩৩ হাজার ৮৬ মার্কিন ডলার কম রপ্তানি হয়ে ১৯৮১-৮২ অর্থবছরে নেমে আসে ৫০ হাজার ৪৩০ মার্কিন ডলার। পরের বছর ১৯৮২-৮৩ অর্থবছরে অনেকটা ঘাটতি কাটিয়ে উঠে ৭৮ হাজার ৮৫৬ মার্কিন ডলার রপ্তানি হয়। নতুন মোড়কে ব্যবসায় ঘুরে উঠে ১৯৮৩-৮৪ অর্থবছরে। তখন রপ্তানি হয় ১ লাখ ১১ হাজার ১৩৬ মার্কিন ডলার। ১৯৮৪-৮৫ অর্থবছরে ১ লাখ ৬৫ হাজার ৯৭৪ মার্কিন ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়। ১৯৮৫-৮৬ অর্থবছরে ১ লাখ ৭৩ হাজার ২২১ মার্কিন ডলার। ১৯৮৬-৮৭ অর্থবছরে ৩ লাখ ২১ হাজার ৪২৮ মার্কিন ডলার। ৩৫৬৪৬০ মার্কিন ডলার রপ্তানি হয় ১৯৮৭-৮৮ অর্থবছরে। ৩ লাখ ৪৬ হাজার ৭৭ মার্কিন ডলার রপ্তানি করে বাংলাদেশ ১৯৮৮-৮৯ অর্থবছরে। ১৯৮৯-৯০ অর্থবছরে ৪ লাখ ৪৪ হাজার ৫৭৫ মার্কিন ডলার। ১৯৯০-৯১ অর্থবছরে ৫ লাখ ৭ হাজার ২৮৫ মার্কিন ডলার।
১৯৯১-৯২ অর্থবছরে ৬ লাখ ৭৩ হাজার ৮১৫ মার্কিন ডলার। ১৯৯২-৯৩ অর্থবছরে ৮ লাখ ২২ হাজার ৫০৭ মার্কিন ডলার। ১৯৯৩-৯৪ অর্থবছরে ৭ লাখ ৩৪ হাজার ৮১৭ মার্কিন ডলার। ১৯৯৪-৯৫ অর্থবছরে ১১ লাখ ৮৪ হাজার ২৭৯ মার্কিন ডলার। ১৯৯৫-৯৬ অর্থবছরে ১১ লাখ ৯৭ হাজার ৫৩৯ মার্কিন ডলার। ১৯৯৬-৯৭ অর্থবছরে ১৪ লাখ ৩২ হাজার ১৪৬ মার্কিন ডলার। ১৯৯৭-৯৮ অর্থবছরে ১৯ লাখ ২৯ হাজার ২১২ মার্কিন ডলার। ১৯৯৮-৯৯ অর্থবছরে ১৯ লাখ ৬৮ হাজার ৪৫৭ মার্কিন ডলার। ১৯৯৯-২০ অর্থবছরে ২২ লাখ ৭৩ হাজার ৭৫৬ মার্কিন ডলারের পণ্য। একবিংশ শতাব্দিতে রপ্তানি বাজার ভিন্নমাত্রা পায়। ২০০০ হতে ২০১০ অর্থবছর অর্থাৎ এই ১০ বছরে পণ্য রপ্তানি বৃদ্ধি পায় ১৪ লাখ ৫০ হাজার ৫০ মার্কিন ডলার।
ইপিবি’র তথ্য অনুযায়ী ২০০০-১ অর্থবছরে পণ্য রপ্তানি হয় ২৫ লাখ ৪১৮ মার্কিন ডলার। ২০০১-২ অর্থবছরে ২২ লাখ ১৮ হাজার ৭৮৬ মার্কিন ডলার। ২০০২-৩ অর্থবছরে ২১ লাখ ৫৫ হাজার ৪৪৯ মার্কিন ডলার। ২০০৩-৪ অর্থবছরে ১ লাখ ৯৭ হাজার ৫৮৫ মার্কিন ডলার। ২০০৪-৫ অর্থবছরে ২৪ লাখ ১৮ হাজার ৬৬৬ মার্কিন ডলার। ২০০৫-৬ অর্থবছরে ৩০ লাখ ৩৯ হাজার ৭৭১ মার্কিন ডলার। ২০০৬-৭ অর্থবছরে ৩৪ লাখ ৪১ হাজার ২০ মার্কিন ডলার। ২০০৭-৮ অর্থবছরে ৩৫ লাখ ৬৪ হাজার ৫২৪ মার্কিন ডলার। ২০০৮-৯ অর্থবছরে ৪০ লাখ ৫২ হাজার ৩ মার্কিন ডলার। ২০০৯-১০ অর্থবছরে ৩৯ লাখ ৫০ হাজার ৪৬৮ মার্কিন ডলার।
২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ নির্বাচনে বিজয়ী হলে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশের পণ্য রপ্তানির আধিপত্য বৃদ্ধি পায়। ২০১০-১১ অর্থবছরে পণ্য রপ্তানি হয় ৫১ লাখ ৭ হাজার ৫২৪ মার্কিন ডলার। ২০১১-১২ অর্থবছরে ৫১ লাখ ৯১১ মার্কিন ডলার। ২০১২-১৩ অর্থবছরে ৫৪ লাখ ১৯ হাজার ৬০২ মার্কিন ডলার। ২০১৩-১৪ অর্থবছরে ৫৫ লাখ ৮৩ হাজার ৬২১ মার্কিন ডলার। ২০১৪-১৫ অর্থবছরে ৫৭ লাখ ৮৩ হাজার ৪৩৫ মার্কিন ডলার। ২০১৫-১৬ অর্থবছরে ৬২ লাখ ২০ হাজার ৬৪৫ মার্কিন ডলার। ২০১৬-১৭ অর্থবছরে ৫৮ লাখ ৪২ হাজার ৬৫৫.৬৮ মার্কিন ডলার। ২০১৭-১৮ অর্থবছরে ৫৯ লাখ ৮৩ হাজার ৩১৪.৯৭ মার্কিন ডলার। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ৬৮ লাখ ৭৬ হাজার ২৯১.৩২ মার্কিন ডলার। ২০১৯-২০ অর্থবছরে ৫৮ লাখ ৩২ হাজার ৩৯০.৭৪ মার্কিন ডলার। শেষ ১০ বছরে বৃদ্ধি পায় ৭ লাখ ২৪ হাজার ৮৬৬.৭৪ মার্কিন ডলার। ২০২০-২১ অর্থবছরে ৬৯ লাখ ৭৪ হাজার ৮.৬৫ মার্কিন ডলারের পণ্য। ২০২১-২২ অর্থবছরে ১০ হাজার ৪১৭.৭২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।









