এক সপ্তাহের ব্যবধানে সব ধরনের চালের দাম কেজিতে ৫ থেকে ৬ টাকা আর ধানের দাম প্রতি মণে ১০০ থেকে ২০০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। চালকল মালিকরা বলছে, ধানের দাম বাড়তে থাকায় বাড়ছে চালের দামও।
বিভিন্ন মোটা জাতের ধানের ৭৫ কেজি ওজনের প্রতি বস্তা বিক্রি হচ্ছে ২২শ' থেকে ২৩শ' টাকায়। অন্যদিকে, জিরা, কাটারি, চিনিগুড়াসহ চিকন ধান বিক্রি হচ্ছে ৩৫শ' থেকে ৩৬শ' টাকায়।
বর্তমানে ৫৫ টাকা কেজির মিনিকেট ৫৮ থেকে ৫৯ টাকা, ৪৮ টাকা কেজির আটাশ চাল ৫১ থেকে ৫২ টাকা, ৪০ টাকার গুটি স্বর্ণা ৪৩ থেকে ৪৪ টাকা আর ৪৫ টাকার সুমন স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে ৪৮ টাকায়।
চাহিদা মতো চাল না পাওয়ায় দাম বাড়ছে বলে জানালেন বিক্রেতারা। মিল মালিকরা জানান, এবার ধানের আমদানি কম এবং দাম বেশি। ধানের এই বাজার থাকলে চালের দাম আরো বাড়বে বলে জানান তারা।
খুচরা বাজারে প্রতি কেজি পাইজাম চাল ৪৪ টাকা থেকে বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ৫২ টাকায়। স্বর্ণা-৫ চাল ৪০ টাকা থেকে বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ৪৬ টাকায়। আটাশ ও পাড়িজা জাতের চাল ৪৮ টাকা থেকে বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৫২ টাকায়। এছাড়া জিরা, মিনিকেট ও নাজিরশাইল জাতের চাল ৫২ টাকা থেকে বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ৫৫ থেকে ৫৬ টাকা কেজি।
চালের বাজারের এই অস্থিরতার জন্য অটো রাইস মিলারদের দায়ী করছেন খুচরা ব্যবসায়ীরা। তবে মিলারদের দাবি স্থানীয় হাটগুলোতে ধানের সংকট ও দাম বাড়ায় কিছুটা বেড়েছে চালের বাজার দর। এ অবস্থায় সরকারিভাবে খোলা বাজারে চাল বিক্রির দাবি জানিয়েছেন নিম্ন আয়ের মানুষ।
আনন্দবাজার/শহক









