সরকার রপ্তানিকারকদের জন্য ঋণসুবিধা হিসেবে ৫ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা ঘোষণা দিলেও বস্ত্র খাত পাচ্ছে না এই সুবিধা। গত বৃহস্পতিবার অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে প্রকাশিত এক প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে প্রচ্ছন্ন রপ্তানিকারকদের এসএমই খাতের জন্য বরাদ্দকৃত ২০ হাজার কোটি টাকার বরাদ্দ থেকে তহবিল নিতে।
বস্ত্র খাতের উদ্যোক্তারা বলছেন, সরকারের রপ্তানি নীতি আদেশ অনুযায়ী, বস্ত্র খাতের অনেক প্রতিষ্ঠানই রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান হিসেবে স্বীকৃত। ফলে তারা রপ্তানিকারকদের জন্য ঘোষিত ৫ হাজার কোটি টাকা প্রণোদনার সুবিধা প্রাপ্য।
এদিকে ক্ষুদ্র ও মাঝারি (এসএমই) খাতের জন্য ঘোষনা করা তহবিল থেকেও বিদ্যমান নীতিমালা অনুযায়ী তারা প্রাপ্য হবে না। কারণ বস্ত্র খাতের প্রতিষ্ঠানগুলো তুলনামূলক বড়ো বিনিয়োগের হওয়ায় তারা এসএমই ঋণের আওতায় পড়বেন না। তারা বলছেন, অর্থ মন্ত্রণালয়ের সার্কুলার অনুযায়ী বস্ত্র খাত কার্যত সরকারের প্রণোদনা-সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। এর ফলে করোনা ভাইরাসের কারণে সৃষ্ট সংকট কাটিয়ে উঠতে প্রধানমন্ত্রীর উদ্যোগও বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।
বিষয়টি নিয়ে নিজেদের উদ্বেগ জানিয়ে সম্প্রতি অর্থমন্ত্রীকে চিঠি পাঠিয়েছে বস্ত্র খাতের উদ্যোক্তাদের সংগঠন বিটিএমএ। এতে রপ্তানি নীতি আদেশের বিদ্যমান ব্যাখ্যা তুলে ধরে বলা হয়, নতুন প্রজ্ঞাপনটি রপ্তানি নীতি আদেশের সাথে সাংঘর্ষিক। এর ফলে এ খাতের উদ্যোক্তাদের পক্ষে প্রণোদনার সুবিধা নেওয়ায় জটিলতা সৃষ্টি হবে। আদেশটি তৈরি করার সময় সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর সাথে কোনো প্রকার আলোচনা না করায় হতাশা প্রকাশ করা হয়।
আনন্দবাজার/তা.তা









