স্বর্ণের সবচেয়ে বড় চাহিদা বিনিয়োগ উৎস হিসেবে। এটি আভিজাত্যেরও প্রতীক। এর বাইরে অসংখ্য ইলেকট্রনিক পণ্যের কিছু মূল যন্ত্রাংশ তৈরিতে ব্যবহার হয় স্বর্ণের প্রলেপ। তবে ডব্লিউজিসি মুখপাত্র হান্নাহ ব্রান্ডস্টাট্টের বলেন, আগামী বছরগুলোতে বর্তমানে সচল থাকা খনি থেকে সরবরাহ ধীরগতির হতে পারে বা কমেও যেতে পারে। কারণ, প্রতিনিয়ত উত্তোলনের ফলে খনিতে বিদ্যমান আকরিকের মজুদ নিঃশেষ হয়ে যাচ্ছে।
⇒ বিশ্বে সবচেয়ে বেশি স্বর্ণ মজুদের খনি গুলোবিশেষজ্ঞরা বলছেন এটি একটি সীমিত সম্পদ এবং এমন একটা সময় অবশ্যই আসবে- যখন খনি থেকে উত্তোলন করার মতো কোনো স্বর্ণ আর পাওয়া যাবে না।
'কতটুকু স্বর্ণ অবশিষ্ট আছে?
ভুগর্ভে কতটুকু স্বর্ণ মজুদ আছে তা খনি কোম্পানিগুলো দুইভাবে নির্ণয় করে;
মজুদ: আকরিকের কতটুকু উত্তোলন চলতি বাজারদর অনুসারে অর্থনৈতিকভাবে লাভজনক।
উৎস: আরও অনুসন্ধানের মাধ্যমে যে স্বর্ণ আকরিক খনিতে পাওয়া যাবে এবং যা উচ্চবাজারমূল্য অনুসারে এক সময় উত্তোলনের মাধ্যমে মুনাফা করা যাবে।
স্বর্ণ মজুদের প্রথমোক্ত প্রক্রিয়াতে উৎস পদ্ধতির চাইতে বেশি সঠিক উপাত্ত পাওয়া যায়। তবে এটি বেশ জটিল এক প্রক্রিয়া।
মার্কিন ভূতত্ত্ব জরিপ বিভাগ সূত্র জানাচ্ছে, বর্তমানে মাটির নিচে ৫০ হাজার টন স্বর্ণ মজুদ রয়েছে। সেই তুলনায় মানুষ খনির মাধ্যমে উত্তোলন করেছে প্রায় এক লাখ ৯০ হাজার টন। এই হিসাব কিছুটা এদিক-সেদিক হতে পারে। তবে এর ভিত্তিতে দেখা যাচ্ছে, এখনও বিশ্বের ২০ শতাংশ মজুদ খনির মাধ্যমে উত্তোলনযোগ্য। অবশ্য ভুলে গেলে চলবে না, প্রতিনিয়ত এ মজুদের পরিমাণও কমছে।
এক্ষেত্রে নতুন প্রযুক্তি বর্তমানে আর্থিকমূল্য কম, এমন কিছু মজুদকে কম খরচে আহরণ করার পথ দেখাতে পারে। তথ্যপ্রযুক্তির বিকাশের অবিশ্বাস্য গতি থেকে খনি শিল্পও বিপুল লাভবান হয়েছে। বিশাল ভৌগলিক তথ্যভাণ্ডার, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং রোবটের ব্যবহার- আগামীদিনে খনি পরিচালনার খরচ অনেক কমাবে।
আনন্দবাজার/শহক









