বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) আকার ২০১৯-২০ অর্থবছর শেষে দাঁড়িয়েছে ২৭ লাখ ৯৬ হাজার কোটি টাকায়। এই হিসেবে গত দশ বছরের ব্যবধানে দেশের জিডিপির আকার বেড়েছে ৩ গুণ।
দশ বছর আগে অর্থাৎ ২০১০-১১ অর্থবছরের জিডিপির আকার ছিল ৯ লাখ ১৬ হাজার কোটি টাকা। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) প্রাথমিক এই হিসাবটি প্রকাশ করেছে।
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) সূত্রে জানা গেছে, স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালে কৃষি প্রধান বাংলাদেশের জিডিপির আকার ছিল ৫৩ হাজার ৪৪৮ কোটি টাকা। সে হিসেবে এই অর্থ বছরে ৫২.৩১ গুণ বেড়েছে জিডিপির আকার।
এরপর ১৯৮২ সালে জিডিপির আকার দাঁড়ায় ১ লাখ ৫৭ হাজার ৫০৫ কোটি টাকায়। ১০ বছরের ব্যবধানে ১৯৯২ সালে ২ লাখ ৬৯ হাজার ৫৩৫ কোটি টাকা। আর ২০০২ সালে যা বেড়ে দাঁড়ায় ৪ লাখ ৬৫ হাজার ১২০ কোটি টাকায়। আর ২০১২ সালে দেশের জিডিপির পরিমাণ হয় ১১ লাখ ৩৩ হাজার ৯শ’ কোটি টাকা।
বিবিএস’র হিসাব অনুযায়ী দেশে গত ১০ বছরের জিডিপি উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। জিডিপির খাতভিত্তিক পর্যালোচনায় দেখা যায়, কৃষি থেকে সরে শিল্প নির্ভর অর্থনীতির পথে হাঁটছে বাংলাদেশ। কয়েক বছর ধরে দেশের জিডিপিতে কৃষির ভাগ কমছে। সদ্য সমাপ্ত অর্থবছরের প্রাথমিক হিসেবে এ খাতের বর্তমান আকার ৩ লাখ ৪৭ হাজার ৬৩৮ কোটি টাকা। অর্থাৎ জিডিপির এ খাত থেকে এসেছে ১৩.০২ শতাংশ। এর আগের অর্থবছরে কৃষি থেকে এসেছিল জিডিপির ১৩.৩২ শতাংশ।
আনন্দবাজার/ডব্লিউি এস









