দেশেও সময়ের সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে করোনা রোগীর সংখ্যা। সময় যতই বয়ে চলছে ঢাকার বাতাস ততই ভারী হচ্ছে। এরই মধ্যে দেশের ২১ জেলায় এই মহামারি সংক্রমণ ঘটেছে। যার মধ্যে ঢাকায় সবচেয়ে বেশি ১২৩ জন শনাক্ত হয়েছে।
এখন পর্যন্ত রাজধানীর ৪৮টি এলাকায় করোনার রোগী শনাক্ত হয়েছে। তার মধ্যে মিরপুর অঞ্চল, পুরান ঢাকা, মোহাম্মদপুর ও বাসাবো এলাকা রয়েছে সবচেয়ে ঝুঁকিতে।
বৃহস্পতিবার সকালে স্বাস্থ্য অধিদফতরের সমন্বিত নিয়ন্ত্রণকক্ষ থেকে রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) সবশেষ তথ্য থেকে এসব জানা যায়।
আইইডিসিআর থেকে জানানো হয়, যেসব এলাকায় পাঁচের অধিক রোগী সেসব এলাকায় ক্লাস্টারভুক্ত কমিউনিটি ট্রান্সমিশন হচ্ছে। আর ঢাকার ১০ এর অধিক এলাকায় পাঁচের অধিক রোগী রয়েছে। এসব এলাকায় ক্লাস্টার আকারে রোগী ছড়াচ্ছে।
তাদের তথ্য অনুসারে, রাজধানীর ঢাকার বিভিন্ন এলাকার মধ্যে আদাবরে একজন, মোহাম্মদপুরে ছয়জন, বসিলায় একজন, ধানমন্ডিতে নয়জন, জিগাতলায় তিনজন, সেন্ট্রাল রোডে একজন, গ্রিন রোডে দুইজন, শাহবাগে একজন, বুয়েট এলাকায় একজন, হাজারীবাগে একজন, উর্দু রোডে একজন, চকবাজারে দুইজন, লালবাগে পাঁচজন,
বাবুবাজারে দুইজন, ইসলামপুরে দুইজন, লক্ষ্মীবাজারে একজন, নারিন্দায় একজন, সোয়ারীঘাটে তিনজন, ওয়ারীতে নয়জন, কোতোয়ালিতে একজন, বংশালে একজন, যাত্রাবাড়ীতে পাঁচজন,
এছাড়া, পুরানা পল্টনে দুইজন, ইস্কাটনে একজন, বেইলি রোডে একজন, মগবাজারে একজন, বাসাবোতে নয়জন, রামপুরায় একজন, শাজাহানপুরে একজন, বাড্ডায় একজন, নিকুঞ্জে একজন, আশকোনায় একজন, উত্তরায় পাঁচজন, গুলশানে ছয়জন, মহাখালীতে একজন, তেজগাঁওয়ে দুইজন,
এবং কাজীপাড়ায় একজন, মিরপুর ১০ নম্বরে দুইজন, মিরপুর ১১ নম্বরে দুইজন, মিরপুর ১৩ নম্বরে একজন, মিরপুর ১ নম্বরে আটজন, শাহ আলীবাগে দুইজন, পীরেরবাগে দুইজন, টোলারবাগে চারজন ও উত্তর টোলারবাগে ছয়জন করোনা আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছে।
আনন্দবাজার/শহক








