চলমান মহামারীতে বিপর্যস্ত পুরো দেশ। সে সময় চাঁদপুরকে নিরাপদ ভাবছে আশেপাশের জেলার মানুষ। সে লক্ষ্যে চাঁদপুরে আশ্রয় নিতে নৌপথে ছুটেন হাজারো মানুষ। এমন পরিস্থিতিতে নদীতে টহল দিয়েও সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। এই নিয়ে জনগণের সচেতনতার অভাবকে দায়ী করছেন, প্রশাসন ও স্বাস্থ্যবিভাগের কর্মকর্তারা।
চাঁদপুরের পাশের জেলা নারায়ণগঞ্জ, লক্ষ্মীপুর এখন করোনা ভাইরাসের ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় ইঞ্জিনচালিত নৌকা কিংবা ট্রলারে চেপে পাশের জেলাগুলো থেকে ৎ ছুটে আসছেন অনেক মানুষ। এতে ঝুঁকির মধ্যে পড়েছে চাঁদপুরের লকডাউনের কার্যক্রম।
এমন পরিস্থিতিতে নদীতে টহল জোরদার করেছে নৌপুলিশ। শুধু তাই নয়, বিভিন্ন নৌযানে বহিরাগতদের খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছেন তারা। অন্য জেলার মানুষের এভাবে ছুটে আসাকে দায়িত্বহীন আচরণ বলেছেন প্রশাসনের কর্মকর্তারা। আর সিভিল সার্জন বলছেন, এসব বহিরাগতদের কারণেই প্রচন্ড ঝুঁকিতে পড়বে জেলা।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কানিজ ফাতেমা বলেন, আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর সাথে তারা লুকোচুরি খেলছে। সবাই কাজ করছে।
জেলা সিভিল সার্জন ডা. মো. সাখাওয়াত উল্লাহ বলেন, তাদের যদি আমরা চাঁদপুরে ঢোকা বন্ধ করতে পারি, তাহলে যদি সুফল মেলে।
আনন্দবাজার/রনি









