করোনার মহামারী পরিস্থিতিতে আমদানি-রফতানি কার্যক্রম বন্ধ থাকার কারণে অর্থবছর শেষে সরকারি রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে ১১ কোটি ৬ লাখ টাকা ঘাটতি রয়েছে যশোরের বেনাপোল স্থলবন্দরে। আজ বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সকালে বেনাপোল বন্দরের উপ-পরিচালক (ট্রাফিক) মামুন কবীর তরফদার রাজস্ব আদায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
২০১৯-২০ অর্থবছরে বেনাপোল স্থলবন্দরের রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ৯৫ কোটি ৮ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। তবে অর্থবছরের শেষ দিন পর্যন্ত এই স্থলবন্দরে ৮৪ কোটি ১৯ লাখ টাকা রাজস্ব আদায় হয়েছে। এ হিসাব অনুযায়ী ১১ কোটি ৬ লাখ টাকার রাজস্ব ঘাটতি রয়েছে। এসময় ১৭ লাখ ৭৮ হাজার ৬২৮ মেট্রিক টন বিভিন্ন ধরনের পণ্য ভারত থেকে আমদানি করা হয়েছে।
বেনাপোল সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মফিজুর রহমান সজন বলেন, বেনাপোল বন্দরের বর্তমান ধারণ ক্ষমতা ৫০ হাজার মেট্রিক টন। তবে এখানে সব সময়ই পণ্য থাকে প্রায় দেড় লাখ মেট্রিক টন। চাহিদা অনুপাতে জায়গা না থাকায় মুল্যবান আমদানি সামগ্রী খোলা আকাশের নিচে রাখতে হয়। এতে সুবিধা বঞ্চিত হয়ে অনেক ব্যবসায়ীরা এই বন্দর ছেড়ে অন্য বন্দর গিয়ে বাণিজ্য করছেন। ফলে এ বন্দরটিতে কাঙ্ক্ষিত রাজস্বের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে পারেনি।
বেনাপোল আমদানি-রফতানি সমিতির সহসভাপতি আমিনুল হক জানান, এ পথে যদি রাজস্ব আয় বাড়াতে হয় তাহলে বন্দরের অবকাঠামো উন্নয়ন বাড়াতে হবে। এছাড়াও বন্দরে বারবার রহস্যজনক অগ্নিকাণ্ডের ফলে অনেক ব্যবসায়ীরা পুঁজি হারিয়ে পথে বসেছেন। বন্দর থেকে তারার কোনো ক্ষতিপূরণ না পাওয়ায় এ বন্দর ছেড়েছেন।
আনন্দবাজার/এম.কে









