চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে এবার শিমের বাম্পার ফলন হয়েছে। আগাম উৎপাদিত শিম বাজারে এলেও বিক্রি হচ্ছে তা চড়া দামে। ন্যায্য দাম পেয়ে চাষীরা খুশি হলেও ক্রেতাদের অভিযোগ চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে শিমসহ শীতকালীন বিভিন্ন সবজি।
বাঁশখালীতে এবার ২৫০ হেক্টর জমিতে দেশী শিম এবং ৬০ হেক্টর জমিতে ফরাস শিম চাষ হয়েছে। স্থানীয়দের তথ্যমতে জানা যায়, বাঁশখালীর পাহাড়ি এলাকায় বিপুল পরিমাণ শিমের চাষাবাদ হয়। এছাড়া উপকূলীয় এলাকার বেশ কিছু স্থানেও এবার শিমের চাষাবাদ হয়েছে। ভাল ফলন হওয়ায় চাষীরা শিম চাষে আগ্রহী হচ্ছে। পাশাপাশি চাষীদেরকে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে চাষাবাদে উদ্বুদ্ধকরণ করা হচ্ছে।
তথ্যমতে, উপজেলার পুকুরিয়া, সাধনপুর, কালীপুর, বৈলছড়ি, সরল, জঙ্গল জলদী, শীলকূপ, চাম্বল, নাপোড়া, খানখানাবাদ ও গন্ডামারা এলাকায় প্রচুর পরিমাণে শিম উৎপাদিত হয়েছে। চাষীরা প্রতিদিন ক্ষেত থেকে শিমগুলো তুলে এনে বিভিন্ন বাজারে পাইকারী দরে বিক্রি করছেন। বিভিন্ন স্থান থেকে আসা পাইকাররা ওই শিমগুলো ক্রয় করে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে নিয়ে যাচ্ছেন বিক্রির উদ্দেশ্যে।
শীলকূপ এলাকার শিম চাষী আমিন মোহাম্মদ জানান, অন্যান্য বছরের চেয়ে এবার শিমের অনেক ভাল ফলন হয়েছে। উৎপাদিত শিম গুলো ন্যায্য মূলে বিক্রি করা যাচ্ছে। আবহাওয়া ভাল থাকায় ও পোকা মাকড়ের উপদ্রব কম থাকার কারণে এবার শিমের ভাল ফলন হয়েছে।
টাইম বাজার এলাকার ব্যবসায়ী আকরাম হোসেন জানান, ‘আমরা পাইকারিভাবে প্রতি কেজি শিম ৮০/৯০ টাকা বিক্রি করলেও ব্যবসায়ীরা তা আরো চড়া দামে ক্রেতাদের কাছে বিক্রি করে। পাইকারী ব্যবসায়ীরা জানান আমরা পাইকারীভাবে বিক্রি করতে গেলেও সেই দাম পাই না। অথচ হাতবদলের পর নানাভাবে এর দাম বাড়তে থাকে।’ বাড়তি দাম নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ক্রেতারা।
বাঁশখালী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবু ছালেহ জানান, ‘চট্টগ্রামের অধিকাংশ সবজির চাহিদা যোগান দেয় বাঁশখালী। বাঁশখালীর চাষীরা সরকারী পৃষ্ঠপোষকতা পেলে সবজি চাষে আরো বেশী উৎপাদন ও লাভবান হতে পারবে বলেও জানান তিনি।’
আনন্দবাজার/শাহী









