মুজিব শতবর্ষ ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে ১০ দিনের অনুষ্ঠানমালার পর্দা উঠবে আগামীকাল বুধবার। বিকেল সাড়ে ৪টা থেকে প্রতিদিন এই অনুষ্ঠান চলবে ২৬ মার্চ পর্যন্ত। এতে যোগ দিতে ঢাকায় আসছেন পাঁচ দেশের সরকার ও রাষ্ট্রপ্রধান। জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ডে দেশি-বিদেশি শিল্পীরা শেষ মুহূর্তের মহড়ায় চূড়ান্ত প্রস্তুতি সম্পন্ন করছেন মূল আয়োজনের।
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবর্ষ ও স্বাধীনতার সূবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে এখন সাজ সাজ রব জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ডে। টানা ১০ দিনের অনুষ্ঠানমালায় হবে বহুদিনের প্রতীক্ষিত উদযাপন। এতে অংশ নিতে ঢাকায় আসছেন পাঁচ দেশের সরকার ও রাষ্ট্রপ্রধানসহ বিশিষ্ট অতিথিরা। মঞ্চের ব্যস্ততা শিল্পীদের প্রস্তুতির জন্য।
মূলত ১০ দিনের এই অনুষ্ঠান উদযাপিত হবে মুজিব চিরন্তন থিমের ওপরে। প্রতিদিন আলাদা আলাদা থিমে পরিবেশিত হবে বিভিন্ন অনুষ্ঠানমালা। প্রথম দিনে থাকবে ভেঙেছে দুয়ার এসেছে জ্যোতির্ময় থিমে পরিবেশনা। সাংস্কৃতিক আয়োজন থাকবে ভিয়েতনাম, দক্ষিণ কোরিয়া, জাপান, ভারতসহ বিভিন্ন দেশের শিল্পীদের। জাঁকজমকপূর্ণ এই অনুষ্ঠানে যোগ দিতে পেরে নিজেদের ধন্য মনে করছেন প্রতিবেশী দেশের শিল্পীরা।
ভারতীয় এক শিল্পী জানান, বঙ্গবন্ধুর শততম জন্মবার্ষিকীপূর্তি, ভারত ও বাংলাদেশের মৈত্রীর পঞ্চাশ বছর। ভারতবর্ষ থেকে বাংলাদেশকে অভিন্ন মনে করা হয় না। আমাদের ভাষা এক সমস্ত এক।
প্রথমে আলোচনা ও পরে সাংস্কৃতিক পর্বে অনুষ্ঠান চলবে বলে জানালেন আয়োজক কমিটির নীতিনির্ধারক আসাদুজ্জামান নূর। তিনি বলেন, আমাদের প্রস্তুতি শেষ পর্যায়ে। ভার্চুয়াল যে আলোচনা ছিল সেটা এখন ফিজিক্যালি হচ্ছে। মোট দশদিনের অনুষ্ঠানটি পাঁচদিন হবে সরাসরি আর অন্য পাঁচদিন হবে ভার্চুয়ালি।
বুধবার বিকেলে এই অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট। রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
আনন্দবাজার/শহক







