২৬ হাজার ৮৬০ কোটি টাকার রফতানি আদেশ বাতিল
বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়া করোনা ভাইরাসের প্রভাব পড়েছে এবার বাণিজ্যিক খাতে। এতে চলতি মাসের প্রথম ১৫ দিনে তৈরি পোশাক খাত থেকে ১৯ কোটি ৪০ লাখ ডলারের পোশাক রফতানি করেছে। অথচ গত বছরের এপ্রিলের প্রথম ১৫ দিনে রফতানি হয়েছিল ১১৯ কোটি ২৯ লাখ ৯০ হাজার ডলার। যা গত বছরের এই সময়ের তুলনায় ৮৩ দশমিক ৭৪ শতাংশ কম।
এদিকে, গেল মার্চে ১৯৭ কোটি ২২ লাখ ডলারের পোশাক রফতানি হয়, যা গত বছরের মার্চের চেয়ে ২৬ দশমিক ৭০ শতাংশ কম।
করোনায় অচল হয়ে পড়ছে বিশ্ব বাণিজ্য। একের পর এক বাতিল হচ্ছে পোশাকের ক্রয় আদেশ। নতুন আদেশও আসছে না। বন্ধ হচ্ছে শিপমেন্ট। ফলে ব্যাপক হারে কমছে পোশাক রফতানি। যার প্রভাবে দেশের অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) সকাল ১০টা পর্যন্ত দেশের তৈরি পোশাক খাতের এক হাজার ১৪০টি কারখানার ৯৭ কোটি ৯০ লাখ পোশাক পণ্যের রফতানি আদেশ বাতিল ও স্থগিত করেছে। যার আর্থিক পরিমাণ ৩ দশমকি ১৬ বিলিয়ন বা ৩১৬ কোটি মার্কিন ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ দাঁড়ায় ২৬ হাজার ৮৬০ কোটি টাক (বিনিময় হার ৮৫ টাকা ধরে)।
বর্তমান পরিস্থিতির বিষয়ে জানতে চাইলে এ খাতের সবচেয়ে বড় সংগঠন তৈরি পোশাক প্রস্তুত ও রফতানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) সভাপতি ড. রুবানা হক বলেন, প্রতি মুহূর্তে ক্রেতারা ক্রয় আদেশ স্থগিত করছেন, বলছেন স্থগিত। তবে আমাদের জন্য এটি স্থগিত নয় বাতিল। এমন পরিস্থিতিতে পোশাক খাত ভয়াবহ সংকটে আছে।
তিনি বলেন, একের পর এক অর্ডার বাতিল। শুধু তাই নয়, আগের পণ্যও ক্রেতারা নিচ্ছেন না। যাও কিছু নিচ্ছে তার বিল ঠিকমত পরিশোধ করছেন না। আমাদের রফতানি নেই বললেই চলে। এখন অধিকাংশ কারখানার উৎপাদন বন্ধ। আগামীতে কী হবে বলা যাচ্ছে না।
আনন্দবাজার/শহক









