১ অক্টোবর থেকে মিয়ানমারে শুরু হয়েছে ২০১৯-২০ অর্থবছর। আন্তর্জাতিক বাজারে দেশটি চলতি অর্থবছরের সব মিলিয়ে ৫ লাখ ২০ হাজার টন চাল (ভাঙা চালসহ) রফতানি করেছে। চাল রফতানি থেকে এ সময়ে দেশটির আয় হয়েছে ১৫ কোটি ডলার। সম্প্রতি মিয়ানমার রাইস ফেডারেশন (এমআরএফ) এ তথ্য প্রকাশ করেছে।
এমআরএফের তথ্য অনুসারে, মোট রফতানীকৃত চালের ১ লাখ ৬০ টন হিস্যা রয়েছে ভাঙা চালের দখলে, আর এ চালের রফতানি গন্তব্য ছিল ৩৩টি দেশ ও এই খাতে দেশটির আয় দাঁড়িয়েছে ৪ কোটি ২০ লাখ ডলারের বেশি। এদিকে ৪০টি দেশে বাকি ৩ লাখ ৬০ টন চাল রফতানি হয়েছে, যা থেকে দেশটি আয় করেছে ১০ কোটি ৮০ লাখ ডলার।
এদিকে মোট রফতানীকৃত চালের মধ্যে ৮৩ শতাংশ বা ৪ লাখ ৪২ হাজার টন রফতানি হয়েছে সমুদ্রপথে, যা থেকে দেশটির আয় হয়েছে ১৩ কোটি ডলারের কাছাকাছি। সমুদ্রপথে প্রধানত ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) ও আফ্রিকার বাজারে পণ্যটি রফতানি করেছে মিয়ানমার। এদিকে স্থলপথে ৮১ হাজার টন চাল রফতানি করে দেশটি আয় করেছে ২ কোটি ১০ লাখ ডলারের বেশি, যার অধিকাংশের গন্তব্য ছিল প্রতিবেশী দেশ চীন।
মিয়ানমারের উপবাণিজ্যমন্ত্রী অং হটো বলেছেন, চীনের বাজারে আমাদের মোট ১১টি কোম্পানি চাল রফতানি করে। কিন্তু আরো ৪০টি কোম্পানি চাল রফতানি করতে ইচ্ছুক। এসব কোম্পানির তালিকা চীনে পাঠানোর পর দেশটিতে আরো বেশি চাল রফতানি হতে পারে বলে মনে করছেন মন্ত্রী।
আনন্দবাজার/এফআইবি








