- মাথাপিছু আয় বেড়ে ২৮২৪ ডলার
- রাজস্ব বৃদ্ধির হার ৪.১৮ শতাংশ
বৈশ্বিক সংকটে যখন বিশ্ব অর্থনীতি টালমাটাল তখনও বাংলাদেশে বেড়েছে মাথাপিছু আয়। এই আয় এখন দুই হাজার ৮২৪ মার্কিন ডলার। শুধু তাই নয়, একই সময়ে রাজস্ব আদায়ের হারও উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান গত ১০ মে জানিয়েছিলেন, দেশের মানুষের মাথাপিছু আয় বেড়ে দুই হাজার ৮২৪ মার্কিন ডলার বা দুই লাখ ৪১ হাজার ৪৭০ টাকা হয়েছে বলে।
পরিকল্পনামন্ত্রী সে সময় বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) তথ্য উল্লেখ করে বলেছিলেন, ২০২১-২২ অর্থবছরের সাময়িক (মার্চ পর্যন্ত) হিসাবে মাথাপিছু আয় বেড়ে দাঁড়িয়েছে দুই হাজার ৮২৪ মার্কিন ডলার বা দুই লাখ ৪১ হাজার ৪৭০ টাকা। গত বছরের শেষে যা ছিল দুই হাজার ৫৯১ মার্কিন ডলার বা দুই লাখ ১৯ হাজার ৭৩৮ টাকা।
২০২১-২২ অর্থবছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৭ দশমিক ২৫ শতাংশ। যা আগের অর্থবছরে ছিল ৬ দশমিক ৯৪ শতাংশ। জিডিপির মোট আকার ৪৬৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। গেল অর্থবছরে সাময়িক হিসাবে কৃষি খাতে শতকরা ২ দশমিক ২০ শতাংশ, শস্য উপখাতে ১ দশমিক ৬ শতাংশ, পশুপালন উপখাতে ৩ দশমিক ১০ শতাংশ, বন উপখাতে ৫ দশমিক ৮ শতাংশ এবং মৎস্য খাতে ২ দশমিক ৮ শতাংশ প্রবৃদ্ধি প্রাক্কলন করা হয়েছে।
গেল অর্থবছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার ৭ দশমিক ২৫ শতাংশ (সাময়িক), বাংলাদেশে মাথাপিছু আয় ২ হাজার ৮২৪ মার্কিন ডলার নিরূপিত হয়। এ সময়ে রাজস্ব আদায়ের পরিমাণ ৩ লাখ ৪২ হাজার ৪০০ কোটি টাকা, রাজস্ব আদায় বৃদ্ধির হার ৪ দশমিক ১৮ শতাংশ। বাংলাদেশের রপ্তানির পরিমাণ ৩৪ দশমিক ৩৮ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে ৫২ দশমিক ০৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
গত ১৪ নভেম্বর সচিবালয়ে এক ব্রিফিংয়ে মন্ত্রিপরিষদসচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম জানিয়েছেন, গত অর্থবছরে সরাসরি বৈদেশিক বিনিয়োগের পরিমাণ ৩ দশমিক ৪৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। প্রবাসী বাংলাদেশিদের প্রেরিত রেমিট্যান্সের পরিমাণ ২১ দশমিক ০৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। এ সময়ে ৯ লাখ ৮৪ হাজার ৭৫৯ জন বাংলাদেশি কর্মী বৈদেশিক কর্মসংস্থান লাভ করেন। বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে ১ হাজার ৮৩৬টি প্রকল্পে ব্যয় হয় ২ লাখ ৩ হাজার ৭৮৩ কোটি টাকা, যা বরাদ্দের ৯২ দশমিক ৮০ শতাংশ। এই অর্থ বছরে ৩৩৩টি প্রকল্প সমাপ্ত হয়।
অর্থ বছর শেষে ১৬ দশমিক ০৭ লাখ মেট্রিক টন খাদ্যশস্য মজুদ ছিল, যা বিগত অর্থ বছরের তুলনায় ১০ দশমিক ৯৮ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। এই অর্থ বছরে সার, সেচ কাজে বিদ্যুৎ, ইক্ষু ইত্যাদি খাতে মোট ১৫ হাজার ১৭২ দশমিক ৭৯ কোটি টাকা ভর্তুকি দেওয়া হয়েছে। সেই সময়ে রাজস্ব আদায়ের পরিমাণ ৩ লাখ ৪২ হাজার ৪০০ কোটি টাকা, রাজস্ব আদায় বৃদ্ধির হার ৪ দশমিক ১৮ শতাংশ। বাংলাদেশের রপ্তানির পরিমাণ ৩৪ দশমিক ৩৮ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে ৫২ দশমিক ০৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
বিগত অর্থ বছরে সরাসরি বৈদেশিক বিনিয়োগের পরিমাণ ৩ দশমিক ৪৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। প্রবাসী বাংলাদেশিদের প্রেরিত রেমিট্যান্সের পরিমাণ ২১ দশমিক ০৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। এ সময়ে ৯ লাখ ৮৪ হাজার ৭৫৯ জন বাংলাদেশি কর্মী বৈদেশিক কর্মসংস্থান লাভ করেন। বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে ১ হাজার ৮৩৬টি প্রকল্পে ব্যয় হয় ২ লাখ ৩ হাজার ৭৮৩ কোটি টাকা, যা বরাদ্দের ৯২ দশমিক ৮০ শতাংশ। এই অর্থ বছরে ৩৩৩টি প্রকল্প সমাপ্ত হয়। অর্থবছর শেষে ১৬ দশমিক ০৭ লাখ মেট্রিক টন খাদ্যশস্য মজুদ ছিল, যা বিগত অর্থ বছরের তুলনায় ১০ দশমিক ৯৮ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। এই অর্থ বছরে সার, সেচ কাজে বিদ্যুৎ, ইক্ষু ইত্যাদি খাতে মোট ১৫ হাজার ১৭২ দশমিক ৭৯ কোটি টাকা ভর্তুকি দেওয়া হয়েছে।









