করোনয় দুগ্ধ ও দুগ্ধজাত খামারিদের প্রতিদিন লোকসান গুনতে হচ্ছে প্রায় ৯০ কোটি টাকা। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, পণ্যের বিক্রি এরক হারে কমতে থাকলে লোকসান ছাড়াবে প্রায় তিন হাজার কোটি টাকা। তাই এ শিল্পকে বাঁচিয়ে রাখতে প্রান্তিক খামারিদের প্রণোদনার পাশাপাশি ত্রাণ হিসেবে গো-খাদ্য দেয়ার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ ডেইরি ফার্মারস অ্যাসোসিয়েশন।
এইদিকে করোনার কারণে বন্ধ খাবারের দোকান। ফলে মিষ্টি, ছানা, দইসহ বিভিন্ন পণ্যের উৎপাদনও রয়ছে বন্ধ। যার ফলে বিপাকে পড়েছেন দেশের প্রায় সাড়ে তিন লাখ দুগ্ধ খামারি।
জানা যায়, গত ২০ মার্চ থেকে করোনার প্রকোপ বেড়ে যাওয়ায় প্রতিদিন প্রায় দেড় কোটি লিটার দুধ বিক্রি করতে পারছেনা খামারিরা। এতে করে খামারিদের প্রতিদিন লোকসান গুনতে হচ্ছে প্রায় ৯০ কোটি টাকা। ডেইরি ফার্মারস অ্যাসোসিয়েশনের হিসেবে, আগামী এক মাস এ অবস্থা চলতে থাকলে ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়াবে ৩ হাজার কোটি টাকা।
আনন্দবাজার/শহক









