খাদ্য বান্ধব কর্মসূচি তালিকাতে তদন্ত করে এখন পর্যন্ত মোট ৬ লাখ ভুয়া কার্ড পাওয়া গেছে। যেগুলো বাতিল করে তালিকায় প্রকৃত সুবিধাভোগীদের নাম যুক্ত করা হচ্ছে বলে খাদ্য মন্ত্রণালয় ও খাদ্য অধিদপ্তরের একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে।
রংপুরের মিঠাপুকুর এলাকার ময়েনপুর ইউনিয়নের এরশাদুল ও গোলাম মোস্তফা। কাজের সুবাদে দুজনেই পরিবার নিয়ে ঢাকায় বসবাস করেন। তবে খাদ্য বান্ধব কর্মসূচির সুবিধাভোগী হিসেবে তাদের নামে একটি করে কার্ড ছিল। যা তারা জানতেনও না। তবে কার্ডের বিপরীতে আসা খাদ্য সহায়তা স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা দীর্ঘদিন ধরে নিজেরাই ভোগ করছিলেন।
জানা গেছে, তদন্ত শুরু হওয়ার পর মিঠাপুকুর উপজেলায় দুই ধাপে এ ধরণের মোট ১৪৮টি কার্ড বাতিল করা হয়েছে। যার মধ্যে মৃত ব্যক্তি, নাম ঠিকানাবিহীন ব্যক্তি, স্বচ্ছল ব্যক্তিও ছিল। শুধু মিঠাপুকুর নয়, সরাদেশেই এভাবে নয়ছয় করে সুবিধা ভোগ করছিলেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধীরা।
খাদ্য বান্ধব কর্মসূচির আওতায় সারাদেশে ৫০ লাখ ব্যক্তির নামে কার্ড ছিল। এই কার্ডের বিপরীতে মূলত ১০ টাকা কেজি দরে ৩০ কেজি করে চাল দেওয়া হয়। খাদ্য অধিদপ্তর এই সহায়তা দিয়ে থাকে।
জানা গেছে, খাদ্য অধিদপ্তর এখন পর্যন্ত প্রায় ৬ লাখ ভুয়া কার্ডের সন্ধান পায়। যেখানে পাওয়া গেছে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের আত্মীয়স্বজন, মৃত ব্যক্তি, স্বচ্ছল পরিবার, গ্রামে বসবাস করে না, আবার কারও নামের কার্ড থাকলেও সে ব্যক্তি জানে না এরকম ব্যক্তিদের নামে কার্ড। এসব কার্ডের বিপরীতে সরকারী সহায়তা দীর্ঘদিন দরে আত্মসাৎ করা হচ্ছিল।
আনন্দবাজার/শহক









