পেঁয়াজের দাম কিছুটা কমলে বাড়তে শুরু করেছে আদা ও রসুনের দাম। চায়না থেকে আমদানি করা প্রতি কেজি রসুনের দাম ১৯০ টাকা, বাংলাদেশি রসুন প্রতি কেজি ১৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া চায়না থকে আমদানিকৃত প্রতি কেজি আদা ১৭০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এদিকে দেশি পেঁয়াজ ১০০ থেকে ১১০ টাকা কেজি দরে এবং বার্মিজ পেঁয়াজ ১১০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে রাজধানীর বাজারগুলোতে।
শুক্রাবার রাজধানীর মসলার বাজার ঘুরে দেখা যায়, বেশিরভাগ মসলার দাম বেড়েই চলেছে। প্রতি কেজি এলাচ পাঁচ হাজার টাকা, দারচিনি ৪৫০ টাকা, লং ১৩০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
দাম কমছে শীতকালীন সবজির
শীত শেষ হওয়ার সাথে সাথে কমতে শুরু করেছে শীতকালীন সবজির দাম। রাজধানীর বাজারে বর্তমানে প্রতি কেজি নতুন আলু ২০ টাকা, মুলা ৩০ টাকা, শালগম ৩০ টাকা, বেগুন ৬০ টাকা, শিম ৪০ টাকা, কাঁচা পেঁপে ৩০ টাকা, টমেটো ৩০ টাকা, কাঁচা মরিচ ৬০ টাকা, গাজর ৩০ টাকা, শসা ৩০ টাকা, সিমের বিচি ৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।এদিকে, দাম কমে প্রতি পিস বড় সাইজের ফুলকপি ও বাঁধাকপি ৩০ টাকা, লাউ ৬০ টাকা পিস, মিষ্টি কুমড়া ৩০ টাকা পিস, পেঁয়াজের কলি ১০ টাকা আটি বিক্রি হচ্ছে।
বাজার করতে আসা এক ক্রেতা বলেন, ‘নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়তি রাখতে ব্যবসায়ীরা নানা অজুহাত দেখায়। প্রতিদিন হু হু করে বাড়িয়ে তোলা হচ্ছে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজার। এতে লাভবান হচ্ছে একশ্রেণির ব্যবসায়ীরা, ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে নিম্নআয়ের মানুষজন।’
স্থিতিশীল রয়েছে মাংসের দাম
গত সপ্তাহের মতো মাংসের দাম একই রকম রয়েছে, বর্তমান বাজারে প্রতি কেজি গরুর মাংস ৫৫০ টাকা, খাসির মাংস ৯০০ টাকা এবং বকরির মাংস ৮০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া বয়লার মুরগি প্রতি কেজি ১৩০ টাকা, কক মুরগি ১৮০ টাকা, পাকিস্তানি মুরগি ২১০ টাকা, দেশি মুরগি ৫০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। অন্যদিকে, প্রতি কেজি তেলাপিয়া মাছ ১৮০ টাকা, কৈ মাছ ২০০ টাকা, শিং মাছ ৫০০ টাকা, টেংরা মাছ ৬০০ টাকা, সরপুঁটি ২০০ টাকা, রুই মাছ ২৫০ টাকা, ছোট মাছ ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা, পাবদা মাছ ৫০০ টাকা, পাঙ্গাশ মাছ ৩০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
আনন্দবাজার/রনি








