সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে বিভিন্ন সড়কে বাড়ি ফিরতে ইচ্ছুক মানুষের উপচে পড়া ভিড় এখন বিদ্যমান রয়েছে। যা সামলা দিতে হিমশিম খাচ্ছে প্রশাসন। অনেকই অভিযোগ করছে, টাকার বিনিময়ে আইন-শৃঙ্খলার বাহিনীর প্রশ্রয়ে অবাধে চলছে এসব গাড়ি। দেশের অন্যান্য সড়কের তুলনায় গাজীপুরের বিভিন্ন সড়কে এমন চিত্র বেশি দেখা যাচ্ছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, কর্মকর্তাদের আনা-নেয়ার ফাঁকে গাজীপুরে বিভিন্ন কোম্পানির গাড়িতে চলছে যাত্রী বহনের কাজ। বাদ যাচ্ছে না ব্যক্তিগত অনেক গাড়িও। করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে ঘোষিত সাধারণ ছুটির মধ্যে প্রশাসনকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে চলছে বেশ কিছু যাত্রী পরিবহণ। স্থানীয়দের অভিযোগ, পুলিশের দেখেও অনেকটাই নির্ব সমর্থন দিয়ে যাচ্ছে এদের।
ব্যবসায়ীরা জানান, সরকারের লকডাউন বেশীরভাগ মানুষ মানছে না। যে যার মত করে চলাচল করছে। প্রশাসনকে হাতকরে কিছু অসাধু মানুষ যাত্রীদের কাছ থেকে টাকা নিয়ে এসব গাড়িতে উঠিয়ে দিচ্ছে।
এইদিকে, গার্মেন্টস ফ্যাক্টরিগুলোতে ছুটির কারণে সড়কে বেড়েছে ঘরে ফেরাদের চাপ, আর তা সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে প্রশাসন। তবে, পুলিশের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন গাজীপুরের পুলিশ কমিশনার।
গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন বলেন, দূর পাল্লার কোন গাড়ি চলছে না এখানে।যদি ট্রাকে করে কেউ চলাচলের চেষ্টা করে তা আমরা তাদের বাধা দিচ্ছি।
এদিকে, জরুরি সেবার নামে যানবাহনে যাত্রী পরিবহণ বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন গাজীপুরে সিটি মেয়র। করোনাভাইরাস প্রতিরোধে সরকারি নির্দেশ মেনে সবাইকে বাড়িতে অবস্থানের আহ্বান জানান তিনি।
আনন্দবাজার/শহক









