করোনা সংক্রমণের চতুর্থ স্তরের প্রথম পর্বে অবস্থান করছে বাংলাদেশ। এই অবস্থায় জনস্বাস্থ্য কাঠামোকে শক্তিশালী করার মাধ্যমে ঘরে ঘরে গিয়ে রোগী শনাক্ত করতে হবে বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
পরিসংখ্যানে দেখা যায়, ডিসেম্বরের শেষ দিকে চীনে শুরু হয় করোনার সংক্রমণ। ১১ই জানুয়ারি করোনায় আক্রান্ত হয়ে প্রথম মৃত্যুর ঘোষণা দেয় চীন। ২৩শে জানুয়ারি উহানসহ হুবেই প্রদেশে লকডাউন ঘোষণা করা হয়। বাতিল করা হয় চীনা নাগরিকদের অন অ্যারাইভাল ভিসা। বন্দরগুলোতে বসানো হয় থার্মাল স্ক্রিনিং মেশিন। সেই থেকে বাড়তে থাকে মৃতের সংখ্যা। সেই হিসাব অনুযায়ী বাংলাদেশের অবস্থান সংক্রমণের চতুর্থ স্তরের প্রথম পর্বে।
পৃথিবীর অনেক দেশের চেয়ে বাংলাদেশে মৃত্যুর হার বেশি যা ভাবিয়ে তুলছে বিশেষজ্ঞদের। জানা যাচ্ছেনা সংক্রমণের উৎস। সামাজিক সংক্রমণের মাত্রা এখন ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে বলছেন বিশেষজ্ঞরা।
দেশে প্রথম করোনায় আক্রান্ত ব্যক্তি শনাক্ত হয় ৮ই মার্চ। ১৮ই মার্চ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে প্রথম মৃত্যু হয়। ২১শে মার্চ ঢাকার টোলারবাগে মারা যান ৭৩ বছর বয়সী আরেক বৃদ্ধ। ২৩শে মার্চ থেকে ২৫শে মার্চ পর্যন্ত ১ জন করে মারা যান। এক সপ্তাহ বিরতি দিয়ে ১লা এপ্রিল মারা যান আরেকজন। আর ৪ঠা এপ্রিল থেকে ১৮ই এপ্রিল এই ১৫ দিনে করোনায় মারা গেছেন ৮৪ জন। প্রথম শনাক্ত হওয়ার এক মাস ১৮ দিন পর এসে মোট সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২,১৪৪ জনে।
আনন্দবাজার/শহক









