করোনার আতঙ্কে বাজারে ক্রেতা স্বল্পতার কারণে শেরপুরের পাঁচ উপজেলায় ব্রয়লার মুরগির দাম কেজি প্রতি কমেছে ৩০ থেকে ৪০ টাকা। শুক্রবার সকালে স্থানীয় বাজারগুলোতে এই মুরগি বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ৭৫ টাকা কেজি দরে। লোকসানে পুঁজি হারানোর অবস্থায় জেলার তিন শতাধিক খামারি।
অন্যদিকে প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা জানান, করোনা সংক্রমণ রোধে মানুষ প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে বাইরে যাচ্ছে না। তাছাড়া পরিবহন সংকটের কারণে খামারিরা এখন ঢাকা ও গাজীপুরসহ আশপাশের জেলাগুলোতে মুরগি সরবরাহ করতে পারছে না। এসব কারণে মুরগির দাম কমে গেছে।
খামারিরা জানান, করোনা আতঙ্কে বাজারে ক্রেতা নাই বলেই চলে। যে কারণে জেলার সদরসহ উপজেলা পর্যায়ের হাট-বাজারগুলোতে মুরগির চাহিদাও কমে গেছে। খামারিরা বলছেন, প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগির উৎপাদন খরচ পড়ে ৯০ থেকে ৯৫ টাকা কখনো কখনো তাঁর থেকে বেশি। আর এখন পাইকার দের কাছে বিক্রি করতে হচ্ছে ৫৫ থেকে ৬০টাকায়। বাজারের খুচরা ব্যবসায়ীরা তা বিক্রি করছে ৭০ থেকে ৭৫ টাকায়।
ঝিনাইগাতী উপজেলার ধানশাইল গ্রামের খামারি খোকন জানান, পরিবহন সংকটের কারণে জেলার বাইরে মুরগি পাঠাতে পারছিনা। যে কারণে স্থানীয় বাজারে প্রতি কেজি মুরগিতে ৩০ থেকে ৪০ টাকা লোকসান ছেড়ে দিতে হচ্ছে আমাদের।
তবে প্রাণিসম্পদ বিভাগ বলছে, সরকারিভাবে প্রণোদনাসহ নানাভাবে খামারিদের লোকসান পুষিয়ে নেয়ার চেষ্টা করা হবে।
আনন্দবাজার/শহক









