একাত্তরের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় অর্জন করা স্বাধীন বাংলাদেশের বয়স আজ ৫০ বছর পূর্ণ হলো। দীর্ঘ নয় মাসের রক্তক্ষয়ী সশস্ত্রযুদ্ধের মধ্য দিয়ে পাকিস্তানি শোষক-হানাদারদের বিতাড়িত করে অর্জিত হয় মহান স্বাধীনতা। একাত্তরের এইদিনে ঐতিহাসিক রেসকোর্স ময়দানে মিত্রবাহিনীর প্রধান লে. জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরার কাছে আত্মসমর্পণের দলিলে স্বাক্ষর করেন পাকিস্তানি বাহিনীর পূর্বাঞ্চলীয় কমান্ডের অধিনায়ক লে. জেনারেল এ এ কে নিয়াজি। আর সেই ঐতিহাসিক মুহূর্তের মধ্য দিয়ে শেষ হয় সশস্ত্র স্বাধীনতাযুদ্ধ।
যে অসম যুদ্ধে প্রাণ হারাতে হয়েছে তিরিশ লাখ বাঙালির। সম্ভ্রম হারাতে হয় অসংখ্য মা বোনের। সবকিছু হারিয়ে শুধু স্বাধীনতাকে সম্বল করে বাংলাদেশের যাত্রা শুরু হয় একাত্তরেই। যুদ্ধে ভৌত-অবকাঠামো, রাস্তাঘাট-ব্রিজ-যানবাহন, বিদ্যুৎ, টেলিফোন, ফসলের ক্ষেতসহ প্রায় সবকিছুই বিনষ্ট-বিধ্বস্ত করে ফেলে পাকিস্তানিরা। জল-স্থল সব পথ করে দেয় অচল। সেখান থেকে উঠে দাঁড়াতে শুরু করে বাংলাদেশ।
১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্ত হয়ে যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ নির্মাণে হাত দেন স্বাধীনতাযুদ্ধের মহানায়ক জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তবে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নকে ভেঙে গুঁড়িয়ে দেয়ার চেষ্টা করে স্বাধীনতাবিরোধিরা। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট তাকে সপরিবারে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। এরপর নানা ঘাত-প্রতিঘাতের মধ্য দিয়েও এগিয়ে গেছে বাংলাদেশ। বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলার স্বপ্ন পূরণে এগিয়ে আসেন তার সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তার হাত ধরেই উন্নয়নের মহাসড়কে এগিয়ে যেতে থাকে একাত্তরের সব হারানো বাংলাদেশ।
বাংলাদেশের অর্থনীতি দেশটির ৫০ বছর পূর্তিতে কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে সে বিষয়ে বিশ্বব্যাংক ১৯৯৫ সালে ‘বাংলাদেশ ২০২০: একটি দীর্ঘমেয়াদি প্রেক্ষিত সমীক্ষা’ শিরোনামে একটি গবেষণা পরিচালনা করে। সেটির মূল বিষয়বস্তু ছিল স্বাধীনতার ৫০ বছরে বাংলাদেশের অর্থনীতির অবস্থা কি হবে। তাতে বলা হয়, ২০২০ সালে মোট জনসংখ্যা হবে ১৭ কোটি। বৃদ্ধির হার হবে ১ দশমিক ১৫ শতাংশ। শিশুমৃত্যু হার এক হাজারে ৩৮ দশমিক ২ শতাংশ, জন্মহার ১৯ দশমিক ৩ শতাংশ। মৃত্যুহার এক হাজারে ৭ দশমিক ২৫ শতাংশ। গড় আয়ু (বছর) ৬৫ দশমিক ৯ শতাংশ। জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার ৮ দশমিক শূন্য শতাংশ। মাথাপিছু আয় (ডলার) ১২১৫ ডলার।
১৯৭২, ১৯৯৫ ও ২০২১ সালের বাংলাদেশ ব্যুরো অব স্টাটিস্টিক (বিবিএস)ও তথ্যে পার্থক্যগুলো চিহ্নিত করা হলো। তাতে দেখা যায়, ১৯৭২ সালে মোট জনসংখ্যা ছিল সাড়ে সাত কোটি। বৃদ্ধির হার ছিল ২ দশমিক ৭ হতে ৩ শতাংশ, ১৯৯৫ সালে ১২ কোটি, বৃদ্ধির হার ১ দশমিক ৮২, ২০২০ সালে ১৬ কোটি ৬৫ লাখ, বৃদ্ধির হার ১ দশমিক ৩৭ শতাংশ। ১৯৭২ সালে শিশু মৃত্যুর হার এক হাজারে ১৪১, ১৯৯৫ সালে ৭৯ দশমকি ৯ ও ২০২০ সালে ২১ জন। ১৯৭২ সালে জন্মহার এক হাজারে ৫০ জন, ১৯৯৫ সালে ২৮ দশমকি ৪ ও ২০২০ সালে ১৮ দশমিক ১ জন। ১৯৭২ সালে মৃত্যুহার ছিল এক হাজারে ২০ জন, ১৯৯৫ সালে ১০ দশমিক ২৫ ও ২০২০ সালে ৪ দশমিক ৯ জন। ১৯৭২ সালে গড় আয়ু ২ দশমিক ৫১ বছর, ১৯৯৫ সালে ৫৬ দশমিক ৬ ও ২০২০ সালে ৭২ দশমিক ৬ বছর। ১৯৭২ সালে মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি)র প্রবৃদ্ধির হার ছিল ২ দশমিক ৫ শতাংশ, ১৯৯৫ সালে ৬ দশমিক ৫ ও ২০২০ সালে ৮ দশমিক ১৫ (১৯-২০ অর্থবছর)। ১৯৭২ সালে মাথাপিছু আয় ছিল ৭০ ডলার। ১৯৯৫ সালে ২৯৫ ও ২০২০ সালে ২০৬৪ ডলার। ২০২০-২১ অর্থবছরে কোভিডের কারণে জিডিপি ছিল ৫ দশমিক ২৪ শতাংশ।

জনসংখ্যা নিয়ে বিশ^ব্যাংকের ধারণা ছিল ১৭ কোটি সেখানে বর্তমান ১৬ কোটি ৬৫ লাখ প্রায় কাছাকাছি। বৃদ্ধির হার হবে ১ দশমিক ১৫ শতাংশ বলা হলেও বর্তমান বৃদ্ধির হার ১ দশমিক ৩৭ শতাংশ। বিশ^ব্যাংকের ধারণা ছিল শিশুমৃত্যু হার এক হাজারে ৩৮ দশমিক ২ শতাংশ, জন্মহার ১৯ দশমিক ৩ শতাংশ কিন্তু বর্তমানে মৃত্যুহার ২১ জন ও ১৮ দশমিক ১ শতাংশ। এক হাজারে মৃত্যুহার নিয়ে বিশ^ব্যাংকের ধারণা ছিল ৭ দশমিক ২৫ শতাংশ বর্তমানে তা ৪ দশমিক ৯ শতাংশ। গড় আয়ু নিয়ে ধারণা ছিল ৬৫ দশমিক ৯ বর্তমানে তা ৭২ দশমিক ৬ বছর। জিডিপি প্রবৃদ্ধিও হার নিয়ে ভবিষ্যৎবাণী ছিল ৮ শতাংশ সেখানে তা ৮ দশমিক ১৫ শতাংশ। মাথাপিছু আয় ১২১৫ ডলার। সেখানে তা দাঁড়িয়েছে ২০৬৪ ডলার। অর্থাৎ ২৫ বছর আগে বিশ^ব্যাংক বাংলাদেশ নিয়ে যে ভবিষ্যৎ চিন্তা করেছিল তা থেকে অনেক গুণ এগিয়েছে বাংলাদেশ।
২০২১ সালের ডিসেম্বরে বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (বিআইডিএস) এর মহাপরিচালক ড. বিনায়েক সেনের ‘বাংলাদেশ ইন কম্পারেটিভ পার্সপেক্টিভ’ প্রতিবেদনে বলা হয়, ভারত ও পাকিস্তানকে প্রায় ১৬টি সূচকে পিছনে ফেলে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। তিনি দেখান, মাথাপিছু আয়ে পাকিস্তানকে পেছনে ফেলেছে বাংলাদেশ। ১৯৯০ সালে বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় ২ দশমিক ৫৪ শতাংশ হারে বাড়লেও বর্তমানে তা ৫ দশমিক ৩ শতাংশ হারে বাড়ছে। ১৯৯০ সালে ভারতের মাথাপিছু আয় ৩ দশমিক ২৬ হারে বাড়লেও এখন কমে তা ১ দশমিক ১৪ হার হয়েছে। উৎপাদন খাতে ভারত-পাকিস্তানকে টপকে ফেলেছে বাংলাদেশ। নব্বইয়ের দশকে এ খাতে বাংলাদেশের অগ্রগতি ছিল ১৩ দশমিক ২৪ শতাংশ। বর্তমানে ১৮ দশমিক ৯৩ শতাংশ। উৎপাদন খাতে পেছাচ্ছে ভারত-পাকিস্তান। একই সময়ে ভারতের উৎপাদন খাতে প্রবৃদ্ধি ছিল ১৬ দশমিক ৬ শতাংশ। বর্তমানে ১২ দশমিক ৯৬ শতাংশ। উৎপাদন খাতে ৯০ দশকে পাকিস্তানের প্রবৃদ্ধি ছিল ১৫ দশমিক ৪৬ শতাংশ এখন কমে দাঁড়িয়েছে ১১ দশমিক ৫৪ শতাংশ।
গবেষণায় বলা হয়, নগরায়নেও সামনের কাতারে বাংলাদেশ। নব্বইয়ের দশকে বাংলাদেশের নগরায়ন হার ছিল ১৯ দশমিক ৮১ শতাংশ, বর্তমানে ৩৪ দশমিক ১৭ শতাংশ। ভারতে নগরায়ন ছিল ২৫ দশমিক ৫৫ শতাংশ, বর্তমানে ৩৪ দশমিক ৯২ শতাংশ। নব্বইয়ের দশকে পাকিস্তানে নগরায়ন ছিল ৩০ দশমিক ৫৮ শতাংশ, বর্তমানে ৩৭ দশমিক ১৭ শতাংশ। নারীদের কর্মসংস্থানে ভারত-পাকিস্তানকে পেছনে ফেলেছে বাংলাদেশ। ৯০ দশকে বাংলাদেশে কর্মসংস্থানে নারী উপস্থিতির হার ছিল ২৪ দশমিক ৬৫ শতাংশ, বর্তমানে ৩৬ দশমিক ৩৭ শতাংশ। ভারতে ছিল ৩০ দশমিক ২৭ শতাংশ, বর্তমানে ২০ দশমিক ৭৯ শতাংশ। পাকিস্তানে ছিল ১৪ দশমিক ৪ শতাংশ, বর্তমানে ২২ দশমিক ৬৩ শতাংশ।
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি)র চেয়ারম্যান অধ্যাপক রেহমান সোবহান চলতি মাসে আয়োজিত ‘বাংলাদেশের ৫০ বছর: অতীতে দৃষ্টিপাত ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা’ (ফিফটি ইয়ারস অব বাংলাদেশ: রেস্ট্রোসপেক্ট অ্যান্ড প্রসপেক্ট) শীর্ষক সম্মেলনে বিগত ৫০ বছরের অর্থনীতির একটি চিত্র তুলে ধরেছেন। তিনি বলেন, স্বাধীনতার সময় বাংলাদেশ সামষ্টিক অর্থনীতির বেশিরভাগ ক্ষেত্রে পাকিস্তানের চেয়ে পিছিয়ে ছিল, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার মতো ক্ষেত্রে দারিদ্র্যের মাত্রা এবং মানব উন্নয়নে ছিল নিম্ন স্তরে। গত ৫০ বছরে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই দেশটির চেয়ে এগিয়েছে বাংলাদেশ। বিশেষ করে গত ২৫ বছরে এবং গত দশ বছরে আরও অনেক বেশি। বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় ১৯৭২ সালে পাকিস্তানের তুলনায় ৬১% কম ছিল, ২০২০ সালে পাকিস্তানের ৬২% অতিক্রম করেছে। বর্তমানে বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ দ্বিগুণেরও বেশি। বাংলাদেশের অবকাঠামোগত উন্নয়ন ১৯৭২ সালে পাকিস্তানের তুলনায় পিছিয়ে ছিল, বিদ্যুৎ উৎপাদনের মতো ক্ষেত্রেও এগিয়ে গেছে, গত ১০ বছরে দ্রুত প্রসারিত হয়েছে এসব ক্ষেত্রে। পাকিস্তানের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ এগিয়েছে বাংলাদেশ।
মানব উন্নয়নের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের মানব উন্নয়ন সূচক (এইচডিআই) ১৯৯০ সালে পাকিস্তানের চেয়ে কম ছিল কিন্তু এখন অনেক এগিয়ে রয়েছে। বাংলাদেশ পাকিস্তানের তুলনায় তার জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার কমাতে সক্ষম হয়েছে। জনসংখ্যার মাত্রা পাকিস্তানের তুলনায় কম যেখানে ১৯৬৯/৭০ সালে আমরা অবিভক্ত পাকিস্তানের জনসংখ্যার ৫৩% ছিলাম। বাংলাদেশের আয়ুষ্কাল যা ১৯৭২ সালে পাকিস্তানের নিচে ছিল এখন পাকিস্তানের তুলনায় ৫ বছর বেশি।
সম্প্রতি অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল, এফসিএ, এমপি বাংলাদেশের একটি অর্থনৈতিক চিত্র তুলে ধরে জানান, বর্তমান রপ্তানি আয় ২৪ শতাংশের বেশি প্রবৃদ্ধি অর্জন করছে, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৪৫-৪৬ বিলিয়ন ডলার। ঋণ-জিডিপি’র অনুপাত এখনও ৪০ শতাংশের নিচে, মূল্যস্ফীতি বিশ্বের অন্য সকল দেশের মতো বাংলাদেশে বাড়লেও এখনও ৬ শতাংশের নিচে। রাজস্ব আদায়ে প্রবৃদ্ধি হচ্ছে প্রায় ১৭ শতাংশ, খেলাপি ঋণ ৮ দশমিক ১ শতাংশে নেমে এসেছে। চলতি অর্থবছরের প্রথম কোয়ার্টারে ঋণস্থিতি বেড়েছে প্রায় ৯ দশমিক ৫ শতাংশ, ২০২১ সালের প্রথম ছয় মাসের সাময়িক হিসাবে নিট প্রফিট করেছে। ব্যাংকের ঋণের সুদের হার ৭ দশমিক ৩ শতাংশে নেমে এসেছে। দেশের সামষ্টিক অর্থনীতি’র ভিত যথেষ্ট মজবুত রয়েছে।
তিনি বিবিএসের তথ্য তুলে ধরে জানান, বাংলাদেশ স্বাধীনতার ৩৮ বছরের মাথায় ১০০ বিলিয়ন ডলার জিডিপি’র মাইল ফলক স্পর্শ করেছিল। আর স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তির অব্যবহিত পূর্বে বাংলাদেশ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দৃঢ় ও সাহসী নেতৃত্বে মাত্র ১২ বছরের মাথায় তা ৪ গুণ বেড়ে ৪১১ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছে গেছে।
এমনই প্রেক্ষাপটে আজ ১৬ ডিসেম্বর। মহান বিজয় দিবসের ৫০ পঞ্চাশ পূর্ণ হলো বাংলাদেশের। উন্নয়ন-অগ্রগতিতে বিশে^র রোল মডেলে পরিণত হয়েছে দেশটি। দ্রুত গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে দেশের অর্থনীতি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বাসস্থানসহ সব ক্ষেত্রে। ২৬ ফেব্রুয়ারি (২০২১) বাংলাদেশের ইতিহাসে জাতিসংঘ কর্তৃক গুরুত্বপূর্ণ স্বীকৃতি অর্জিত হয়েছে। ওই দিন স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণে জাতিসংঘের কমিটি ফর ডেভেলপমেন্ট পলিসির (সিডিপি) চূড়ান্ত সুপারিশ পেয়েছে বাংলাদেশ। এর ফলে ২০২৪ সালে জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে ঘোষিত হবে। উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণে জাতিসংঘের তিনটি শর্ত ছিল- মাথাপিছু আয় কমপক্ষে ১২৩০ মার্কিন ডলারে রাখা, মানবসম্পদ সূচকে ৬৬ পয়েন্ট ও অর্থনীতির ভঙ্গুরতা সূচকে ৩২ বা নিচে আনা। ২০১৮ সাল থেকে বাংলাদেশ তিনটি শর্তই পূরণ করে এসেছে। ২০২০ সালে বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় ছিল ১৮২৭ ডলার। মানবউন্নয়ন সূচকে বাংলাদেশের পয়েন্ট ৭৫ দশমিক ৩ এবং অর্থনৈতিক ভঙ্গুরতা সূচকে ২৫ দশমিক ২। ২০৩০ সালে মধ্য-আয় ও ২০৪১ সালে উন্নত দেশ তথা বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়ে উঠবে।
আনন্দবাজার/শহক








