দেশে আশঙ্কাজনক হারে কমেছে আমদানি-রফতানি
প্রকাশ:

বিস্তারিত
বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়া করোনাভাইরাসের প্রভাবে আশঙ্কাজনক হারে কমেছে দেশের আমদানি ও রফতানি। সর্বশেষ গত এপ্রিলে চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে রফতানি পরিমাণ কমেছে প্রায় ৮৭ শতাংশ এবং আমদানি কমেছে প্রায় ২২ শতাংশ।
সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, করোনার প্রভাবে পণ্যের চাহিদা কমে যাওয়ায় এবং সরবরাহ চেইনে ব্যাঘাত সৃষ্টি হওয়ায় এ বিপর্যয় নেমে এসেছে আমদানি-রফতানি বাণিজ্যে।
দেশের আমদানি-রফতানির বেশিরভাগই সম্পন্ন হয় চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে। চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউকের সূত্রে জানা যায়, গত এপ্রিলে চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে বাণিজ্যিক ও বন্ডেড পণ্য আমদানি হয়েছে ৬৬ লাখ ৫১৮ মেট্রিকটন পণ্য। এর আগের অর্থবছর অর্থাৎ ২০১৮-১৯ অর্থবছরের এপ্রিলে একই পণ্য আমদানির পরিমাণ ছিল ৮৪ লাখ ৩৮ হাজার ৯৬ টন। অর্থাৎ গত এপ্রিলে আগের অর্থবছরের একই সময়ের চেয়ে আমদানি কমেছে ২১ দশমিক ৭৮ শতাংশ।
এদিকে গত এপ্রিলে চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে রফতানি হয়েছে ১২ কোটি ৪৩ লাখ ১২ হাজার টন পণ্য। এর আগের অর্থবছরের একই সময়ে আলোচ্য বন্দর দিয়ে রপ্তানির পরিমাণ ছিল ২৮ কোটি ৯৪ লাখ ৫৪ হাজার টন পণ্য। অর্থাৎ গত মাসে চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে রফতানি কমেছে প্রায় ৮৭ শতাংশ।
রফতানিকারক ও পোশাকশিল্প মালিকদের সংগঠন বিকেএমইএর সাবেক সহ-সভাপতি ফজলে শামীম এহসান বলেন, করোনার কারণে জরুরি খাদ্যপণ্য ও ওষুধ বাদে সব ধরনের পণ্যেরই চাহিদা কমে গেছে। আমাদের প্রায় ৪০০ কোটি ডলারের পণ্যের আদেশ বাতিল হয়েছে। এমনকি যেসব পণ্য জাহাজীকরণের জন্য বন্দরে ছিল, ঐসব পণ্যও ক্রেতারা বাতিল করেছে। এর প্রভাব দেখা গেছে চট্টগ্রাম বন্দরের মাধ্যমে রফতানির চিত্রে। একই কারণে আমদানিও কমেছে।
এছাড়া বেনাপোল শুল্ক স্টেশন, মোংলা, দেশের বেশকিছু স্থলবন্দর এবং বিমানবন্দরের মাধ্যমেও আশঙ্কাজনক হারে কমেছে আমদানি ও রফতানি। এসব বন্দর দিয়ে মূলত রফতানির চেয়ে আমদানি বেশি হয়ে থাকে।
আনন্দবাজার/ টি এস পি








