বাংলাদেশের করোনা রোগী সংখ্যা সরকারি সংস্থাগুলির দাবি করা সংখ্যার চেয়ে অনেক বেশি বলে মনে করছেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী। আজ শনিবার সাংবাদিকদের কাছে তিনি একথা বলেন।
ডা. জাফরুল্লাহ বলেন, সরকারি সংস্থা কর্তৃক করোনা রোগীর যে সংখ্যা দাবি করা হচ্ছে তা অনেকটাই জ্যোতিষী পূর্বাভাসের মতো। তারা কেবল কয়েক হাজার রোগীকে পরীক্ষা করেছে এবং একটি সুনির্দিষ্ট ফলাফল দিচ্ছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা দাবি করছে, করোনায় মহামারী আরও অবনতি হলে প্রাণহানির হার ২ মিলিয়ন থেকে ২.৫ মিলিয়নের মধ্যে পৌঁছে যাবে।
তিনি আরও বলেন, আমরা যদি সচেতন হয়েও থাকি, তারপরেও আমি আশঙ্কা করি এই মহামারী থেকে ৫০ হাজারেরও বেশি বাংলাদেশি মারা যেতে পারে।
ইতোমধ্যে তিনি প্রকৃত পরিস্থিতি জানতে সরকারকে ৪০ হাজার কিট দ্রুত সরবরাহ এবং আরও কিট ব্যবহারের পরামর্শ দিয়ছেন। এমনকি তিনি প্রায় সকল সরকারী হাসপাতালে অবিলম্বে ফিভার সেন্টার চালু করার জন্য সরকারের কাছে অনুরোধ করেছেন।
তিনি বলেন, সরকার জর”রি ভিত্তিতে করোনার দায়িত্ব পালনের জন্য অবসরপ্রাপ্ত সমস্ত দক্ষ ডাক্তারকে পুনরায় কল করতে পারে। এমনকি ডাক্তারদের করোনার দায়িত্বের জন্য তাদেরকে সাত দিনের ওরিয়েন্টেশন প্রশিক্ষণেরও ব্যবস্থা করা উচিত।
বেসরকারী হাসপাতাল সম্পর্কেও তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, যে বেসরকারী হাসপাতালগুলি চিকিৎসা পরিষেবার নামে প্রচুর অর্থোপার্জন করেছে । আর এখন তারা জাতীয় স্বাস্থ্য বিপর্যয়ের ঘটনা থেকে পালিয়েছে।
তিনি আরও বলেন, সরকারের উচিত একটি সার্কুলার ঘোষণা করার জন্য যাতে সমস্ত প্রাইভেট হাসপাতালগুলো এই মহামারী চলাকালীন সেবা চালিয়ে যেতে হবে।
আনন্দবাজার/এফআইবি








