ঈদের আর মাত্র একদিন বাকি থাকলেও করোনার কারণে হাটগুলোতে বেচাকেনা নেই গরু। এতে বাজারগুলোতে দেখা যায় ক্রেতার চেয়ে গরুর সংখ্যা কয়েক গুণ বেশি।
এদিকে খামারিরা বলছেন, করোনার কারণে অনলাইনে গরু বিক্রি হওয়ায় হাটে ক্রেতার সংখ্যা কমে গেছে। ক্রেতা না থাকায় গরুর দামও তুলনামূলক কম।
ময়মনসিংহ মহানগরীর সার্কিট হাউজ মাঠের গরুর হাটে গিয়ে দেখা যায়, সারি সারি গরু নিয়ে খামারিরা দাঁড়িয়ে আছেন। তবে ক্রেতা খুবই কম। একই অবস্থার রাজধানীর বেশির ভাগ হাটে।
খামারি আবুল হাশেম জানান, করোনার কারণে এবার হাটে ক্রেতা খুব কম। দুই দিনে তিনি একটি মাত্র গরু বিক্রি করতে পেরেছেন। তাও আবার গতবারের চেয়ে তুলনামূলক কম দামে।
সার্কিট হাউজ মাঠের গরু হাটের ইজারাদার আব্দুল মান্নান জানান, স্বাস্থ্যবিধি মেনেই গরুর হাট বসানো হয়েছে। এ নিয়ে এলাকায় মাইকিং করা হয়েছে। তারপরও হাটে ক্রেতার উপস্থিতি খুব কম। আজ ক্রেতা খুব একটা আসেনি। তবে শুক্রবার শেষ দিন ক্রেতা বাড়তে পারে বলে আশা করছেন তিনি।
জেলা প্রাণি সম্পদ অফিসার আব্দুল কাদের জানান, জেলায় গরুর হাটগুলো স্বাস্থ্যবিধি মেনেই বসানো হয়েছে। তবে করোনাভাইরাস আতঙ্কে ক্রেতা কম আসছেন। ফলে খামারিরা হাটে গরু এনেও বিক্রি করতে পারছেন না।
আনন্দবাজার/শহক









