শীত কমার সাথে সাথে রাজধানীসহ সারাদেশেই বাড়ছে মশার উপদ্রব। মশার ঘনত্ব বেড়ে চলেছে প্রায় সব জায়গাতেই। ধারণা করা হচ্ছে এবারো বর্ষা মৌসুমে ভয়াবহ রূপ নিতে পারে ডেঙ্গু। ইতিমধ্যেই বেশকিছু হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ডেঙ্গু রোগী। যদি এখন থেকেই মশক দমনে কার্যকর পদক্ষেপ না নেওয়া হয় তবে আবারও দেশে ডেঙ্গু ছড়িয়ে পড়বে বলে মনে করছেন স্থানীয় ও বিশেষজ্ঞরা।
এদিকে রাজধানীর শাহবাগ, মগবাজার, পরিবাগ, বনশ্রী, মিরপুর, মোহাম্মদপুর, মুগদা, সবুজবাগ এলাকাতে মশার উপদ্রব বাড়ন্ত। দুই সিটি কর্পোরেশনের মশক নিধন কর্মীরা ওষুধ ছিটালেও বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই মশার আবাসস্থলে দিচ্ছে না ওষুধ। বরারবরের মতো এবারো বর্ষা মৌসুমে দুই সিটির ১১টি ওয়ার্ড রয়েছে ডেঙ্গু ঝুঁকিতে। সম্প্রতি স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের জরিপে উঠে এসেছে এমন চিত্র।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নিজস্ব অর্থায়নে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ডেঙ্গু সার্ভিলেন্স অ্যান্ড প্রেডিকশন প্রোজেক্ট এর আওতায় রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় মশার উপস্থিতি নিয়ে গবেষণা চালিয়েছে।
এই জরিপে দেখা যায়, জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি মাসেও রাজধানীর কয়েকটি এলাকায় ডেঙ্গুর বাহক এডিস মশার উপস্থিতি রয়েছে। বর্তমানে মশার উপস্থিতি কম থাকলেও তাপমাত্রা বাড়ার সাথে সাথে মার্চ-এপ্রিলের দিকে এর প্রকোপ আরো বাড়বে। এছাড়া মশার উপস্থিতির হারে ঢাকাকে ছয়টি অঞ্চলে ভাগ করা হয়েছে।
মশকের এই জরিপ চলবে আগামী দুই বছর। তাই বৃষ্টি শুরু হওয়ার আগেই মশার প্রজননস্থল ধ্বংসের উদ্যোগ নিতে হবে।
আনন্দবাজার/শাহী









