করোনা সংকটে এপ্রিল থেকে মোবাইল ব্যাংকিং-এর মাধ্যমে বেতন পাবেন শ্রমিকরা। এজন্য নতুন করে অ্যাকাউন্ট খুলছেন শ্রমিকরা। যদিও সময় মতো শতভাগ বেতন পাওয়া নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন অধিকাংশ শ্রমিক নেতারা। অন্যদিকে যারা অ্যাকাউন্ট নম্বর জমা দেবেন শুধু তারাই এই বিশেষ তহবিলের বেতন পাবেন- এমন কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন শিল্প মালিকরা।
করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে বন্ধ রয়েছে কারখানার উৎপাদন। তবুও শ্রমিকরা কারখানায় যাচ্ছেন তাদের নতুন খোলা মোবাইল অ্যাকাউন্ট নম্বর জমা দিতে। অনেকে আবার যোগাযোগ করছেন সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর সাথে।
ব্যাংক হিসাব জমা দেয়ার শেষ তারিখ বাড়ানো হয়েছে ২৬ এপ্রিল পর্যন্ত। ১৮ এপ্রিল পর্যন্ত নতুন করে হিসাব খুলেছে প্রায় ২০ লাখ শ্রমিক। অনেকেই আগের করা অ্যাকাউন্ট নম্বর জমা দিয়েছেন। এরই মধ্যে মার্চের বেতন সরাসরি পরিশোধ করা হলেও মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে বেতন পাওয়া নিয়ে সংশয় রয়েছে অনেকেই।
বাংলাদেশ বিপ্লবী গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি সালাউদ্দিন স্বপন জানান, শতভাগ বেতন পাওয়ার বিষয়ে আমরা শঙ্কিত। মার্চ মাসের বেতনইতো এখনও অনেক কারখানায় দেয়নি।
শ্রমিকের হিসাব নম্বর, বেতন বাবদ টাকার পরিমাণ ও তা যাচাই বাছাইয়ের জন্য জমা দিতে হবে ডিসেম্বর, জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি মাসের বেতনের কাগজপত্র। এরপর ব্যাংকগুলো ছাড় করবে সরকার ঘোষিত বিশেষ তহবিলের টাকা।
বিজিএমইএ সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ নাসির জানান, ২ শতাংশ সুদে তারা কাজটা করছে। টাকা সরকার দেবে। কিন্তু যদি কোনো কারখানা পরিশোধে ব্যর্থ হয় সেক্ষেত্রে এই ঝুঁকি কে নেবে? এ ধরনের জায়গায় অনেক ব্যাংক অপারগতা প্রকাশ করার মত বিষয় রয়েছে।
আনন্দবাজার/তা.তা









