ভোগ্যপণ্যের অন্যতম বড় পাইকারি বাজার নারায়ণগঞ্জের নিতাইগঞ্জে আবারো বেড়েছে চিনির দাম। গত এক সপ্তাহের ব্যবধানে বস্তাপ্রতি চিনিতে দাম বেড়েছে ২৫০ টাকা। সে হিসাবে পাইকারিতে প্রতি কেজি চিনির দাম বেড়েছে ৫ টাকা। ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, মিলগেট থেকে চিনির দাম বাড়িয়ে দেয়ার ফলে পাইকারিতেও দাম বেড়েছে।
সোমাবার নিতাইগঞ্জে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, পাইকারিতে বস্তা প্রতি চিনি বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার ৯৫০ টাকায়। যা এক সপ্তাহ আগেও বিক্রি হয়েছে ২ হাজার ৭৫০ টাকায়। আর কেজি প্রতি বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকায়, যা এক সপ্তাহ আগেও বিক্রি হয়েছে ৫৪ থেকে ৫৫ টাকায়।
ব্যবসায়ীদের পক্ষে দাম বাড়ানোর কোনো সুযোগ নেই উল্লেখ করে নারায়ণ চন্দ্র শাহ জানান, নিতাইগঞ্জের ব্যবসায়ীরা ট্রেডিং ব্যবসা করেন। আমাদের দাম বাড়ানো বা কমানোর কোনো সুযোগ নেই। মিলাররা যে দাম বেঁধে দেন, সেই দামেই আমাদের কিনতে হয়। এর সঙ্গে পরিবহন খরচ সমন্বয় করে ২০ থেকে ৩০ পয়সা লাভে পণ্য ক্রয়বিক্রয় করে থাকেন এখানকার ব্যবসায়ীরা।
এদিকে শুল্ক বৃদ্ধির কারণ দেখিয়ে চিনির দাম বাড়ানয় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অনেক ব্যবসায়ী। নিতাইগঞ্জের চিনি ব্যবসায়ী আব্দুল আলীম জানান, চিনির দাম কারণ ছাড়াই হঠাৎ করে কেজিতে ৫ থেকে ৬ টাকা বেড়ে গেছে। সরকার বাজেট ঘোষণা করেছে ছয় মাস আগে। কিন্তু ছয় মাস পর এসেও আমদানি শুল্ক বাড়ানোর নামে সুগার মিলগুলো বাজারে চিনির দাম বাড়িয়ে দিয়েছে।
এদিকে চিনির দাম বৃদ্ধির প্রভাব পড়েছে খুচরা বাজারেও। নগরীর বউবাজার এলাকায় ঘুরে জানা যায়, খুচরা পর্যায়ে প্রতি কেজি চিনি বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ৭৫ টাকায়। বাজারের মোল্লা স্টোরের মালিক রহিম জানান, বাজার থেকে এক বস্তা চিনি দোকানে আনতে খরচ হয় ১০০ থেকে ১২০ টাকা। এছাড়া এক বস্তা চিনি বিক্রি করতে কমপক্ষে ১০ থেকে ১২ দিন সময় লাগে। যে কারণে দোকানিরা খুচরা পর্যায়ে একটু বাড়তি দামেই চিনি বিক্রি করেন।
আনন্দবাজার/শাহী









