করোনাভাইরাস আতঙ্কে ভোক্তাদের অতিরিক্ত চাহিদার কারণে খুচরা পর্যায়ে সব ধরনের চালের দাম কেজিতে পাঁচ থেকে সাত টাকা বেড়ে গেছে। দুই থেকে তিন টাকা বেড়েছে পাইকারি বাজারেও। অথচ চালের পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে সরকারি গুদামে। সেইসঙ্গে বাজারগুলোতে চালের সরবরাহও ভালো।
ভোক্তারা বলছেন, দেশে করোনা ভাইরাস প্রবেশ করেছে। আজ না হয় কাল এটা বড় আকার ধারণ করবে আশঙ্কা। এর সংক্রমণে একজন মারা গেছেন। সামনে যে মানুষ মারা যাবে না, এটা তো কেউ বলতে পারে না। এছাড়া আক্রান্ত সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। আজ শিবচর লকডাউন করা হয়েছে। কাল যে কোথায় হবে সেটা জানি না। যদি আন্তজেলা যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়, কোনো যানবাহন না চলে, তাহলে সব পণ্যের দাম আরও বেড়ে যাবে। তখন আমরা সাধারণ মানুষ কম দামে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য কোথায় পাব।
বাবুবাজারের চাল ব্যবসায়ী সমিতির সেক্রেটারি নিজাম উদ্দিন বলেন, করোনা ভাইরাসের প্রভাবে গত দুই-তিন দিনে পাইকারি বাজারে সব রকমের চালের দাম কেজিতে দুই থেকে তিন টাকা বেড়ে গেছে। কারণ মানুষ আতঙ্কিত হয়ে চাল কিনে মজুদ করছে। যার এক বস্তা চাল মাসে লাগে, সে কিনে নিচ্ছে চার বস্তা। গত দুইদিনে আড়তে হরিলুটের মতো চাল বিক্রি হয়েছে। ফলে বাজারে সাময়িক সরবরাহের সংকট তৈরি হয়। সুবাধে ব্যবসায়ীরা একটু দাম বাড়িয়ে দিয়েছেন। তবে ১০ থেকে ১৫ দিনের মধ্যে স্বাভাবিক হয়ে যাবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
খুচরা চাল বিক্রেতা মো. মোক্তার হোসেন বলেন, মানুষ করোনা ভাইরাসে আতঙ্কিত হয়ে বেশি করে চাল কিনছে। এ সুযোগে মিল মালিক ও পাইকারি অসাধু ব্যবসায়ীরা দাম বেশি নিচ্ছেন। ফলে গত দুই-তিন দিনে চালের দাম পাঁচ থেকে ছয় টাকা বেড়েছে।
আনন্দবাজার/ টি এস পি









