চীন থেকে পণ্য আমদানি বন্ধ হলে চলতি মাসেই ৩ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব লোকসান হবে সরকারের। এছাড়াও কাঁচামালের অভাবে বন্ধ হবে বিভিন্ন পণ্য উৎপাদনও।
এদিকে পোশাক শিল্পমালিকরা বলছেন, কাঁচামালের সংকটের করণে রপ্তানি আদেশ ফিরিয়ে দিচ্ছেন তারা। একই সঙ্গে আমদানি বন্ধের কারণে এরইমধ্যে খুচরা ও পাইকারি বাজারে বেড়েছে মোবাইল, কম্পিউটার অ্যাকসেসরিজ ও মসলার দাম।
দেশে মোবাইল ফোন তৈরি হলেও, যন্ত্রাংশের জন্য চীনরে বিকল্প আর কিছুই হতে পাড়ে না। সেই সঙ্গে পেনড্রাইভ, চার্জার, মেমোরিকার্ডসহ অন্যান্য অ্যাকসেসরিজও চীন থেকে আসে। তাই করোনাভাইরাস সংক্রমণের প্রভাব পড়েছে এই বাজারগুলোতে।
বিজিএমইএর সাবেক সহ-সভাপতি শহীদুল্লাহ আজীম জানান, আমাদের অনেকগুলো চালান চীনে আটকে রয়েছে।আমরা এখন শঙ্কায় আছি। সকল ফ্যাক্টরির একই অবস্থা রয়েছে। চীনের করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ দীর্ঘস্থায়ী হলে, বাংলাদেশের অর্থনীতিও থমকে যাওয়ার শঙ্কা রয়েছে।
আনন্দবাজার/এম.কে








