বাজারে সবজির দাম বেশি থাকায় ডিমের চাহিদা বেড়েছে। ফলে বেড়েছে ডিমের দামও। বাজার ঘুরে দেখা যায় খুচরায় একটা ডিমের দাম সাড়ে ৯টাকায় ঠেকেছে। এতে, সমস্যায় পড়ছেন স্বল্প আয়ের ভোক্তারা।
যদিও খামারিরা বলছেন, উৎপাদন খরচ হিসেব করলে ডিমের দাম এখন ঠিকই আছে। তবে, পোল্ট্রি ফিডের দাম কমানো গেলে দেশের মানুষ আরো কম দামে ডিম খেয়ে প্রতিদিনের পুষ্টিচাহিদা পুরণ করতে পারবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট্রা।
বড়দের বঞ্চিত করা গেলেও ছোটদের পুষ্টি চাহিদা থেকে বঞ্চিত করা যায়না। তাই দাম বাড়লেও ডিম না কিনে ফেরার উপায় নেই। স্বল্প আয়ের বেশ ক'জনের সাথে কথা বলে জানা গেল এমনটিই। আর ডিমের এই দাম একটু বেশি বলেই মনে করছেন তারা।
খামারি পর্যায়ে একটা বাদামি ডিমের গড় দাম ৮ থেকে সাড়ে ৮টাকা। সাদাটার দামও প্রায় একই। ডিম বিক্রি করে লাভ হচ্ছে এখন। তবে, খামারির এই লাভ রেখেও ডিমের দাম এখন কমানোর উপায় আছে।
এদিকে মুরগীর খাদ্য সমাগ্রীর দামও বেড়েছে। নাহার অ্যাগ্রো লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রাকিবুর রহমান টুটুল বলেন, "মুরগীর জন্য বা ডিমের জন্য ৭০% খরচ ই খাদ্য। কোভিডের কারণে এই খাদ্যের দাম বেড়ে গেছে।"
ঢাকা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবুল কালাম আজাদ জানান, কাঁচামাল আমদানি করতে পরীক্ষা, এনওসিসহ বেশ কিছু কারণে বাড়তি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে ডিম।
প্রসঙ্গত, প্রোটিন, কোলিনসহ নানা ধরনের পুষ্টিগুনে ভরপর ডিমের গুণগত মান অনেকটাই নির্ভর করে মুরগীর খাদ্যগ্রহণের ধরন ও মানের উপর।
আনন্দবাজার/শহক








