গত মে মাসে দেশে করোনা আক্রান্ত হয়ে প্রাণ গেছে ৪৮২ জনের। আর নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ৩৯ হাজার ৩৮৬ জন। প্রাণঘাতী এই ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব দেশে বেড়েই চলেছে। নতুন করে মৃত্যু ও আক্রান্তের সংখ্যা প্রতিদিনই পূর্বের রেকর্ড ভাঙছে।
গত ৮ মার্চ প্রথমবারের মতো দেশে তিনজন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার কথা জানিয়েছিল আইইডিসিআর। এর ১০ দিন পর গত ১৮ মার্চ করোনাভাইরাসে প্রথম মৃত্যুর খবর জানানো হয় সরকারের পক্ষ থেকে।
এইদিকে মার্চে দেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৫১ জন। এছাড়া মৃত্যু হয়েছিল ৬ জনের। এপ্রিলে এসে আরও ১৬০ জন এই ভাইরাসের প্রাণ হারান। আর সেই মাসে আক্রান্ত হন ৭ হাজার ৬১৬ জন।
১৮ মার্চ থেকে গণপরিবহনসহ মানুষের চলাচলে বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়। পরে ২৬ মার্চ থেকে জরুরি পরিবহন ছাড়া সব ধরনের গণপরিবহন বন্ধ ঘোষণা করা হয়। বিভিন্ন জেলায় জেলায় ঘোষণা করা হয় লকডাউন। বিভিন্ন শপিংমল, গার্মেন্টসহ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেয়া হয়। প্রাদুর্ভাব ঠেকাতে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করে সরকার।
তবে ধীরে ধীরে সেসব বিধি নিষেধ শিথিল করেছে সরকার। অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে সাধারণ ছুটির মেয়াদ ৩০ মের পর আর বাড়ানো হয়নি। সরকারি, বেসরকারি অফিস চালু হয়েছে ৩১ মে থেকে। তারও আগে চালু হয়েছে গার্মেন্ট। এছাড়া ঈদের আগে স্বাস্থ্যবিধি মেনে কিছু কিছু শপিংমল ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানও চালু করা হয়।
১ জুন থেকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চালু হয়েছে বাস। ৬০ শতাংশ ভাড়া বাড়ানো হয়েছে বাসের। এছাড়া ট্রেন, লঞ্চ ও বিমানও চালু হয়েছে সীমিত আকারে।
এদিকে সর্বশেষ গতকাল মঙ্গলবারই মারা গেছেন ৩৭ জন আর নতুন করে আরও ২৯১১ জনের শরীরে করোনার অস্তিত্ব পাওয়া গেছে। এ নিয়ে দেশে মোট মৃত্যু ৭০৯ এবং আক্রান্ত ৫২ হাজার ৪৪৫ জনে দাঁড়িয়েছে।
আনন্দবাজার/শহক









