বরিশালের হাটবাজার থেকে শুরু করে বিভিন্ন অলিগলিতেও পাওয়া যাচ্ছে ইলিশ। তবে এসব তুলনামূলক ভাবে বড় হলেও দাম অনেকটাই কম।অসময়ে ইলিশের এমন প্রাচুর্যে খুশি ভোজনরসিক ও বিক্রেতারা। তবে অসময়ে ইলিশ পাওয়া অস্বাভাবিক কিনা, তা নিয়ে সংশয়ে আছেন মৎস্যজীবীরাও। যদিও বরিশাল মৎস্য অধিদপ্তর ও ইলিশ গবেষকরা এটাকে ইলিশের ‘সেকেন্ড সিজন’ ফিরে আসার সম্ভাবনা বলে মনে করছেন।
বরিশালের মৎস্য ব্যবসায়ী মো. জহির বলেন, জানুয়ারি মাসে এতো ইলিশ গত ১৫ বছরে দেখা যায়নি। শনিবার প্রায় ৫০০ মণ ইলিশ উঠেছে এ মোকামে। যার পাইকারি দাম এলসি সাইজ (৭০০-৮০০ গ্রাম ওজন) প্রতি মণ ২৫ হাজার টাকা এবং এক কেজি সাইজ প্রতি মণ ৩২ হাজার টাকা। এ হিসাবে প্রতি কেজির দাম পড়েছে এলসি সাইজ ৬২৫ টাকা এবং ১ কেজি সাইজ ৮০০ টাকা।
ব্যবসায়ীরা বলেন, মূল সিজন সেপ্টেম্বর-অক্টোবর মাসের দাম এবং বর্তমান সময়ে ইলিশের দামের মধ্যে খুব বেশি পার্থক্য নেই।
এ ব্যাপারে বরিশাল মৎস্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তা (ইলিশ) ড. বিমল চন্দ্র দাস বলেন, কয়েক দিন ধরে বেশি পরিমাণ ইলিশ ধরা পড়ছে। এ বছর শীতে মাছের আকারও ভালো। তিনি বলেন, পূর্ণিমার জো’তে যে পরিমাণ ইলিশ পাওয়া যাচ্ছে তাতে মনে হচ্ছে, ইলিশের ‘সেকেন্ড সিজন’ আবার ফিরে এসেছে।
বরিশাল মৎস্য আড়তদার সমিতির সভাপতি অজিত দাস বলেন, শীতে আগে এতো বড় ইলিশ দেখা যায়নি। এবার অসময়ে ইলিশ বেশি দেখা যাচ্ছে। এর সঙ্গে জাটকাও ধরা পড়ছে। তবে প্রবীণ এ মৎস্য ব্যবসায়ীর আশঙ্কা, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ইলিশের মৌসুম পরিবর্তন হতে পারে।









