আগামী নভেম্বরের মধ্যেই দেখা যাবে পদ্মা সেতু পুরো দৃশ্যমান চিত্র। এর মধ্যে মূল সেতুর উন্নয়ন কাজ সম্পন্ন হয়েছে ৮৯ শতাংশ। যেখানে সেতুর সার্বিক উন্নয়ন কাজ ৮০ দশমিক ৫০ শতাংশ ও নদী শাসনের কাজ ৭৩ শতাংশ। পদ্মা সেতু প্রকল্পের পরিচালক মো. শফিকুল ইসলাম এ তথ্য জানান।
গত মঙ্গলবার মাওয়া প্রান্তে ৪ ও ৫ নম্বর পিলারের সেতুর ৩২ তম স্প্যান বসানোর কথা থাকলেও নদীর তীব্র স্রোতের কারণে এটি নির্ধারিত সময়ে বসানো সম্ভব হয়নি। তবে স্প্যান না বসানো হলেও সেতুর মূল উন্নয়নে এটি কোনো বাধা হয়ে দাঁড়াবে না বলে জানা যায়।
পদ্মা সেতুর নির্বাহী প্রকৌশলী দেওয়ান আব্দুল কাদের বলেন, ‘নদীর স্রোত অব্যাহত থাকলে আগামী সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি প্রায় আড়াই মাসে কোনো স্প্যান বসানো সম্ভব হবে না। সাধারণত এই দুই বা আড়াই মাস স্প্যান বসানো যায় না। এটা আমাদের আগে থেকেই কর্ম পরিকল্পনায় ছিল। তবে আগামী নভেম্বরের মধ্যে সবগুলো স্প্যান বসানোর কাজ শেষ হবে।
এদিকে, মাওয়া ওয়ার্কশপে আরো চারটি স্প্যানের প্রস্তুতিও চলছে দ্রুত গতিতে। তবে বর্ষায় আবহাওয়া শুষ্ক না থাকার কারণে স্প্যানগুলোর রং শুকাতে সময় বেশি লাগছে। তাছাড়া পদ্মা সেতুর ৪১টি স্প্যানের মধ্যে ৩৯টির মালামাল করোনা মহামারির আগেই এসেছে। বাকি দুটি স্প্যানের অধিকাংশ মালামালও মাওয়ার কনস্ট্রাকশন ইয়ার্ডে পৌঁছেছে।
অন্যদিকে, মাওয়া প্রান্তে ৫, ৬ ও ৭ নম্বর পিলারের ওপর স্প্যান বসেছে আগেই। এই দুই স্প্যানের দু’পাশে বাকি স্প্যানগুলো বসে গেলেই নভেম্বরের মধ্যেই স্বপ্নের পদ্মা সেতুর ৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার দৃশ্যমান হবে।
আনন্দবাজার/রনি








