পদ্মা সেতুর নদী শাসন কাজের জন্য স্থানান্তর করা হয়েছে কাঁঠলবাড়ি ফেরি ঘাট। এর বদলে চালু হচ্ছে বাংলাবাজার ফেরিঘাট। এখন থেকে শিমুলিয়া-বাংলাবাজার নৌরুটেই চলবে সকল ধরণের ফেরি।
জানা গেছে, আজ সোমবার (১৬ নভেম্বর) থেকে ফেরি চলবে শিমুলিয়া-বাংলাবাজার নৌরুট দিয়ে। রোরো ও ডাম্পসহ সকল ধরনের ফেরি চলাচল শুরু হতে যাচ্ছে এ ঘাট দিয়ে।
পদ্মা সেতুর কাজের জন্য কাঁঠালবাড়ি ঘাট সরিয়ে বর্তমানে কাঁঠালবাড়ি ফেরিঘাট থেকে পশ্চিম দিকে আরও ৩০০ মিটার উজানে বাংলাবাজারে এই ফেরি ঘাটটিকে স্থানান্তর করা হয়েছে। স্থানান্তর শেষে এই ফেরিঘাটের নাম দেওয়া হয়েছে 'শিমুলিয়া-বাংলাবাজার ফেরিঘাট'।
পদ্মা সেতুর নির্বাহী প্রকৌশলী (নদী শাসন) মো. শারফুল ইসলাম বলেন, বাংলাবাজার এলাকাকে ফেরিঘাট হিসেবে ব্যবহার করার জন্য উপযোগী সব কিছুই করা হয়েছে। আগের ফেরিঘাটের উল্টো দিকে পদ্মা নদী শাসনের জন্য চরজানাজাতসহ আশপাশের প্রায় ২২৬ একর জমি অধিগ্রহণ করা হয়। ইতোমধ্যে সেখানেও ড্রেজিং করা হয়েছে। কারণ এখানে নদী শাসনের সময় আবার ফেরি চলাচলের জন্য চওড়া করতে হয়েছে।
শারফুল ইসলাম আরও বলেন, পদ্মা সেতুর জাজিরা প্রান্তের ল্যান্ডিং পয়েন্ট থেকে ২ কিলোমিটার ভাটিতে নাওডোবা এলাকায়ও নদী শাসনের ড্রেজিং করা হয়েছে। জাজিরা ল্যান্ডিং পয়েন্টে বালুর বস্তা এবং প্রয়োজনীয় সব উপকরণ ফেলা হয়েছে।
বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন করপোরেশনের (বিআইডাব্লিউটিসি) ব্যবস্থাপক (মেরিন) আহাম্মদ আলী বলেন, ইতোমধ্যে ২ টি ঘাট সরিয়ে আনা হয়েছে বাংলাবাজারে। কয়েক দিনের মধ্যে বাকি দুটি ঘাটসহ লঞ্চ ও স্পিডবোট ঘাটও সরিয়ে আনা হবে। ৩ বছর পর এই ঘাট স্থানান্তেরর কারণে দূরত্ব বৃদ্ধি পেল আধা কিলোমিটার। বর্তমানে বিকল্প চ্যানেল ফেরির দূরত্ব ছিল সাড়ে ১২ কিলোমিটার। আর বাংলাবাজার-শিমুলিয়া ঘাটের দূরত্ব হচ্ছে ১৩ কিলোমিটার।
আনন্দবাজার/এইচ এস কে









