প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস বারবার নিজের জিন বদলে উত্তোরত্তর ভয়াবহ হয়ে উঠছে । এরই মধ্যে সে টিকে থাকার স্বার্থে ৩৮০ বার নিজের জিন বদলে ফেলেছে। তাঁর পরেও কেউ আক্রান্ত হলে শরীলে দেখা দিত নির্দিষ্ট কিছু লক্ষণ। কিন্তু এইবার করোনায় আক্রান্ত অনেকের শরীরে কোনও লক্ষণ প্রকাশ পাচ্ছে না।
আর এতে করে করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি আরও বাড়ছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। এ অবস্থায় হালকা উপসর্গ কিংবা আক্রান্তের আশপাশের মানুষজনকেও করোনা পরীক্ষা করা প্রয়োজন বলে মনে করছেন তারা।
প্রথম দিকে শুধুমাত্র হাঁচি, কাঁশি, জ্বর, গলাব্যাথা ও ডায়রিয়া উপসর্গ থাকলে করোনা পরিক্ষা করা হলেও বর্তমানে মৃদু উপসর্গেও করোনা পজেটিভ হচ্ছেন অনেকে। এরমধ্যে আবার অনেকের রক্ত জমাট বাধার ঘটনাও ঘটছে। আবার শরীরে কোন লক্ষণ নেই এমন অনেকেরও পরীক্ষায় করোনা ধরা পড়েছে। এতে করে উপসর্গহীন রোগীদের কাছ থেকে করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি বেড়ে যাচ্ছঈদ
বিশ্বের অনেক দেশের তুলনায় বাংলাদেশে মৃত্যুর হার বেশী। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জিনগত কারনে এ ধরনের ঘটনা ঘটছে। তাই আক্রান্ত অনেকের ক্ষেত্রেই লক্ষণ প্রকাশ পাচ্ছে না।
এ অবস্থায় উপসর্গহীন রোগীদের কাছ থেকে অধিক সংক্রমন ঠেকাতে লকডাউন ও কোয়ারেন্টিন কঠোর ভাবে মেনে চলার পাশাপাশি করোনা পরীক্ষার পরিমান আরো বাড়াতে হবে বলে মত দেন বিশেষজ্ঞরা।
আনন্দবাজার/শহক









